Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ২:০৪ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ১৯, ২০২৫ , ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ

পবিপ্রবিতে ইউজিসি চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা মত প্রকাশের সুযোগ না পেয়ে ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

লেখকঃ দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজের সফরকে ঘিরে আয়োজিত ‘মতবিনিময় সভা’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সভার নাম ‘মতবিনিময়’ হলেও বাস্তবে ছিল একতরফা আলোচনা—কাউকেই মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়নি।

শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। তবে বক্তব্য রাখেন কেবল ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টার পরিবর্তে সভা শুরু হয় বিকেল ৪টায়।

সভায় শিক্ষার্থীদের মতামত শোনার কথা থাকলেও কেউ কথা বলার সুযোগ পাননি। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী শিবলী আহমেদ বলেন, “এরকম একপাক্ষিক মতবিনিময় সভা আমি জীবনে দেখিনি। আমাদের অনেক সমস্যা আছে, কিন্তু কারও মুখ খোলার সুযোগই দেওয়া হয়নি। প্রশাসনের উচিত ছিল সভাটির নাম ‘আলোচনা সভা’ রাখা।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয় সামনে চলে আসার আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ সচেতনভাবেই কাউকে কথা বলার সুযোগ দেয়নি। সভা চলাকালে ইউজিসি চেয়ারম্যান কিছু শিক্ষার্থীর বক্তব্য শোনার আগ্রহ প্রকাশ করলেও প্রশাসন সময়ের অজুহাতে দ্রুত সভা শেষ করে দেন। ফলে হতাশ হয়ে ফিরে যান উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে উপাচার্য নানা অজুহাতে তাদের বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অল্প কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মিলনায়তন ত্যাগ করতে হয়।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে পবিপ্রবিতে পৌঁছান ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. এস. এম. এ. ফায়েজ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং নবনির্মিত জিমনেশিয়াম উদ্বোধন করেন। এসব কর্মসূচি শেষে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচিত ওই ‘মতবিনিময় সভা’, যা শিক্ষার্থীদের চোখে পরিণত হয় এক ‘একতরফা আলোচনা সভা’-তে।

প্রিন্ট করুন