লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম চরমনসা গ্রামে রুবেল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে মহব্বত আলী মুন্সিবাড়ি এলাকার একটি গাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রুবেল ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের আশার বাড়ির বেল্লাল মিয়ার ছেলে।
পরিবারের দাবি, সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে কোনো একসময় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
নিহতের বোন নয়ন আক্তার বলেন, “রুবেলকে তার স্ত্রী পছন্দ করত না। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সোমবার রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”
অন্যদিকে, নিহতের স্ত্রী রিয়া আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া হয়নি। রুবেল আমাদের ঘরেও আসেনি। আমাদের ফাঁসাতে সে নিজেই আত্মহত্যা করেছে।”
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত ফেব্রুয়ারিতে রুবেল ও রিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। ঘটনার রাতে রুবেল নিজের বাড়িতে ছিল। পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে সেখানে যায়। পরদিন সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি পারভিন বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তদন্ত চলছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”