Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৭:৪৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ৬, ২০২৫ , ৬:৪০ অপরাহ্ণ

পিরোজপুরের বিভিন্ন অপার সৌন্দর্যের স্পটগুলোতে জমে উঠেছে কাশফুলের শুভ্রতায় শরতের উৎসব

লেখকঃ মো: নাজমুল হোসেন, ‎পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি

প্রকৃতিতে এখন শরতের ছোঁয়া। চারদিকে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মাঠ-ঘাটজুড়ে দোল খাচ্ছে সাদা কাশফুল। সেই শুভ্র কাশফুলের সৌন্দর্য ঘিরেই পিরোজপুরে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

শরতের শুভ্র কাশফুল নদী বা জলাভূমির তীরে,মাঠে ও পথে দেখা যায় যা শান্ত ও স্নিগ্ধ এক মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করে বাতাসের দোলায় দুলতে থাকে কাশফুলের দল আকাশে সাদা মেঘের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মত এক স্বপ্নময় পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা কবি সাহিত্যিকদের কল্পনার খোরাক যোগায় কাশফুল শরতের আগমনের প্রতীক এবং এক অপার সৌন্দর্য প্রকৃতি প্রেমীদের মুগ্ধ করে তোলে।

“শরত বছরের শেষ,সবচেয়ে সুন্দর হাসি। শরত হলো মধুর ঋতু এবং আমরা ফুলের চেয়ে ফল থেকে যা হারিয়ে ফেলি তার চেয়ে বেশি লাভ করি। শরৎকালে এক সাদৃশ্য থাকে এবং তার আকাশে এক ঝলক থাকে যা গ্রীষ্ম, জুড়ে শোনা বা দেখা যায় না। যেন তা হতে পারে না যেন তা ছিলই না। শরৎ হল চিরন্তন সংশোধনকারী।”

‎জেলার বাইপাস সড়ক ও মডেল মসজিদের পাশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে শরতের কাশবন। প্রতিদিন সেখানে ভিড় জমছে পরিবার-পরিজন,তরুণ-তরুণী ও শিশুদের। অনেকেই প্রিয়জনকে নিয়ে ছুটে আসছেন শরতের কাশফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি তোলা ও সেলফি শেয়ারের প্রতিযোগিতায়ও মেতে উঠছেন দর্শনার্থীরা।

‎স্থানীয় এক দর্শনার্থী আশিকুর রহমান জানান, “প্রকৃতির এই সৌন্দর্য আমাদের মনে ভীষণ আনন্দ জাগায়। কাশবনের এমন দৃশ্য দেখলে মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে।”

‎অন্য এক দর্শনার্থী আফরোজা তুলি বলেন, “আমাদের পিরোজপুরে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে যাওয়ার তেমন কোন জায়গা নেই,তাই এখানে আসলে পরিবার নিয়ে একটি সুন্দর সময় কাটানো যায়।”

‎প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে কাশফুল মানেই শরতের আগমন বার্তা। তাই শুভ্র কাশফুলের দোলায় এখন পিরোজপুরজুড়ে বিরাজ করছে শরতের উৎসবের আবহ।াপ্রকৃতিতে এখন শরতের ছোঁয়া। চারদিকে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মাঠ-ঘাটজুড়ে দোল খাচ্ছে সাদা কাশফুল। সেই শুভ্র কাশফুলের সৌন্দর্য ঘিরেই পিরোজপুরে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

শরতের শুভ্র কাশফুল নদী বা জলাভূমির তীরে,মাঠে ও পথে দেখা যায় যা শান্ত ও স্নিগ্ধ এক মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করে বাতাসের দোলায় দুলতে থাকে কাশফুলের দল আকাশে সাদা মেঘের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মত এক স্বপ্নময় পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা কবি সাহিত্যিকদের কল্পনার খোরাক যোগায় কাশফুল শরতের আগমনের প্রতীক এবং এক অপার সৌন্দর্য প্রকৃতি প্রেমীদের মুগ্ধ করে তোলে।

“শরত বছরের শেষ,সবচেয়ে সুন্দর হাসি। শরত হলো মধুর ঋতু এবং আমরা ফুলের চেয়ে ফল থেকে যা হারিয়ে ফেলি তার চেয়ে বেশি লাভ করি। শরৎকালে এক সাদৃশ্য থাকে এবং তার আকাশে এক ঝলক থাকে যা গ্রীষ্ম, জুড়ে শোনা বা দেখা যায় না। যেন তা হতে পারে না যেন তা ছিলই না। শরৎ হল চিরন্তন সংশোধনকারী।”

‎জেলার বাইপাস সড়ক ও মডেল মসজিদের পাশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে শরতের কাশবন। প্রতিদিন সেখানে ভিড় জমছে পরিবার-পরিজন,তরুণ-তরুণী ও শিশুদের। অনেকেই প্রিয়জনকে নিয়ে ছুটে আসছেন শরতের কাশফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি তোলা ও সেলফি শেয়ারের প্রতিযোগিতায়ও মেতে উঠছেন দর্শনার্থীরা।

‎স্থানীয় এক দর্শনার্থী আশিকুর রহমান জানান, “প্রকৃতির এই সৌন্দর্য আমাদের মনে ভীষণ আনন্দ জাগায়। কাশবনের এমন দৃশ্য দেখলে মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে।”

‎অন্য এক দর্শনার্থী আফরোজা তুলি বলেন, “আমাদের পিরোজপুরে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে যাওয়ার তেমন কোন জায়গা নেই,তাই এখানে আসলে পরিবার নিয়ে একটি সুন্দর সময় কাটানো যায়।”

‎প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে কাশফুল মানেই শরতের আগমন বার্তা। তাই শুভ্র কাশফুলের দোলায় এখন পিরোজপুরজুড়ে বিরাজ করছে শরতের উৎসবের আবহ।

আজকালের কন্ঠ/আর বি/এন

প্রিন্ট করুন