নিজস্ব প্রতিনিধি : রবিবার (০৫ অক্টোবর) সকালে ১১.০০ ঘটিকায় ২০২৪ – ২০২৫ এর আবেদনকারী সমস্ত ডিলারগণের আয়োজনে ঢাকা রেশনিং কার্যালয়ের সামনে, জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ওএমএস আবেদনকারী ডিলার, মোহাম্মদ শহিদ এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ কাউসার, মূলবক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওএমএস আবেদনকারী ডিলার তারিকুল ইসলাম।
আরো উপস্থিত ছিলেন, ওএমএস আবেদনকারী ডিলার আলমগীর হোসেন মিঠু, অমিত হাসান সহ অন্যান্য ওএমএস আবেদনকারী ডিলারগণ।

তারিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্য বলেন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ ঢাকা রেশনিং কর্তৃক আয়োজিত ওএমএস ডিলার নিয়োগ ২০২৫ (উন্মুক্ত লটারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (IEB), রমনা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এই লটারিতে ব্যাপক অনিয়ম, বৈষম্য ও সাজানো নাটকীয়তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোবাইল বার্তার মাধ্যমে অনেক আবেদনকারী খবর পাননি, আবার তালিকায় থাকা সত্ত্বেও অনেকে বার্তা পাননি। ফলে অনেক আবেদনকারী লটারির আয়োজন ও ফলাফলের বিষয়ে জানতে পারেননি। এ সময় কিছু তারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
দাবি সমূহঃ-
১. ওএমএস নীতিমালা ২০২৪ অনুসারে পূর্বের ডিলারদের বাদ দেওয়া যাবে না, যতক্ষণ না তারা দোষী প্রমাণিত হন।
২. অঞ্চলভিত্তিক সকল আবেদনকারীর তালিকা প্রকাশ করা এবং স্বচ্ছভাবে নাম উত্তোলন নিশ্চিত করা হোক।
৩. ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত লটারিটি অবিলম্বে বাতিল করে পুনরায় ন্যায্যভাবে আয়োজন করা হোক।
৪. ঘুষ, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে ন্যায্য ডিলার নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. রেশনিং কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হোক।
৬. প্রধান নিয়ন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হোক।
৭. ডিলার নিয়োগে ঘুষ ও বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৮. মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও কঠোর তদারকি থাকা আবশ্যক।
৯. অবিক্রীত পণ্য গোপনে সেল রিপোর্ট না করা এবং সঠিকভাবে রোস্টার বাস্তবায়ন করা হোক।
১০. অনিয়মকারী ডিলারের বিরুদ্ধে প্রমাণসাপেক্ষ শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।
১১. প্রতিটি ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র বিক্রি শুরু ও শেষে কন্ট্রোল রুমে ভিডিও কলে তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।
১২. কালবাজার প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
১৩. বাইরোটেশনের মাধ্যমে রোস্টার বাধ্যতামূলক করা হোক।
১৪. নতুন ডিলার নিয়োগে পুরাতন ডিলার বাদ দেওয়া যাবে না।
১৫. রেশনিং অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।
১৬. ডিলার বিষয়ক সিদ্ধান্তে ডিলারদের মতামত গ্রহণ করা হোক।
১৭. ন্যায়া সমাজ প্রতিষ্ঠায় বৈষম্য রোধ করতে হবে।
১৮. দোকান ও ট্রাক সেল পয়েন্টের জন্য আলাদা ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
১৯. ৪০৫ জন ডিলারের মধ্যে ২৮৭ জন বাদ দিয়ে বাকি ১১৮ জনের বিষয় স্পষ্ট করা হোক।
২০. ঢাকা রেশনিং-এর সকল ডিলারকে অনুরোধ করা হচ্ছে “ভাই ভাই: কাঁধে কাঁধ রেখে ন্যায্য দাবী আদায় নিশ্চিত করি।

প্রতিবাদ সভা শেষে ঢাকা রেশনিং কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করে সড়ক প্রদর্শন করে আবার কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ করেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি