Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৫:৪৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫ , ৫:১৯ অপরাহ্ণ

শরতের শুভ্র বার্তা নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কাশফুলের নতুন সমারোহ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

শরৎ মানেই সাদা মেঘ আর কাশফুলের দোলা। এ বছর সেই রূপ দেখা যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রান্তে ফুটে ওঠা কাশফুল শিক্ষার্থীদের কাছে এনেছে নতুন আনন্দ আর প্রশান্তি।

দূর থেকে দেখলে মনে হয় ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে সাদা মেঘপুঞ্জ। ক্লাসের চাপ শেষে অনেকে ভিড় জমাচ্ছেন কাশবনে—কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা শুধু নির্জন দাঁড়িয়ে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা উপভোগ করছেন। শিক্ষার্থীদের অনেকে জানিয়েছেন, কাশফুল তাদের মনে এক ধরনের নির্মল শান্তি এনে দেয়। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিতে কাশফুল সবসময়ই শরতের প্রতীক। এবার সেই ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশে। শুভ্র কাশফুল মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতির কাছেই লুকিয়ে আছে সত্যিকারের সৌন্দর্য।

এই কাশফুলের সৌন্দর্য যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই শুধু উপভোগ করছে, এমনটা নয়—এই কাশফুল দেখতে বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন নানান দর্শনার্থী এই ক্যাম্পাসে। তারা ক্যাম্পাস ঘুরছেন, দেখছেন আর কাশফুলের মুগ্ধতা নিচ্ছেন। এই সব দর্শনার্থীরা বিকেলবেলা ক্যাম্পাসে অনেক বেশি ভিড় করেন। যা দেখে ক্যাম্পাসের পাশে ভোলা রোডে গড়ে উঠেছে নানান রকম মুখরোচক খাবারের দোকান। যা দেখে বলা যায়, বিকেলবেলা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসটি একটি পার্কে পরিণত হয়েছে। এই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করা শুধুমাত্র শরৎকালের পক্ষেই সম্ভব—তা প্রতিবছরই প্রমাণ করছে শরতের দূত কাশফুল।

এজন্যই হয়তো কবি কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন,
“ওগো ও কাজল-মেয়ে,
উদাস আকাশ ছলছল চোখে তব মুখে আছে চেয়ে!
কাশফুল-সম শুভ্র ধবল রাশ রাশ শ্বেত মেঘে
তোমার তরী উড়িতেছে পাল উদাস বাতাস লেগে।”

লেখক: এইচ. এম. তানজিল

প্রিন্ট করুন