জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোর সামনে ভোটারদের দীর্ঘলাইন দেখা গেছে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ১১ হাজার ৭৮৩ জন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৬২৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৮ জন। হল সংসদে ২১টি হলের প্রতিটিতে ১৫টি করে মোট ৩১৫ পদের পদের বিপরীতে ৪৪৫ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। কেন্দ্রীয় সংসদে আটটি প্যানেলে ১৩১ জন এবং বাকি ৪৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এছাড়া হল সংসদে ৬৪টি পদে কোনো প্রার্থী নেই এবং ১২৪টি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
জাকসু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন— জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাফরুহী ছাত্তার, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক খো. লুত্ফুল এলাহী ও বেগম সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট রেজওয়ানা কবির স্নিগ্ধা।
ভোট গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহণের জন্য কেন্দ্রগুলোতে মোট ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে ৬৭ জন পোলিং অফিসারসহ ২১ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা। নির্বাচনে পোলিং ও রিটার্নিং অফিসার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই দায়িত্ব পালন করবেন। ব্যালট পেপারে টিক চিহ্নের মাধ্যমে ভোট দিতে হবে। প্রতি ২০০ ব্যালট পেপারের জন্য একটি বাক্স থাকবে। কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ব্যালট বাক্স আলাদা করে চিহ্নিত থাকবে।
উল্লেখ্য দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আয়জিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত জাকসু নির্বাচন। তাই পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি