লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হোক কিংবা ব্যাংক বা ডিভাইস সুরক্ষা যে কোনো ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হ্যাকারদের যন্ত্রণায় কোনো ডিভাইস বা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার উপায় নেই। ঠিকই কোনো না কোনোভাবে হ্যাক করে নিচ্ছে ডিভাইস, অ্যাকাউন্ট। চুরি করছে তথ্য, হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
এ কারণে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন ডিভাইস এবং অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হলো এমন একটি পাসওয়ার্ড যা পরীক্ষার মাধ্যমে এবং অনুমানের দ্বারা সহজেই অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করতে পারে।
তবে পাসওয়ার্ড নির্বাচনের সময় থেকেই সতর্ক থাকা জরুরি।অবশ্যই পাসওয়ার্ডের মধ্যে ক্যাপিটাল ও স্মল লেটার (A, b…), ডিজিট (1,2,3…) এবং চিহ্ন (@,#, &…) মিশিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে।
পাসওয়ার্ড নির্বাচনের সময়ে নিজের নাম, ডাক নাম, জন্ম তারিখ, আপনার স্ত্রী বা সন্তানের নাম না রাখাই ভালো। সাইবার প্রতারকরা সহজেই সেসব ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে।
এছাড়া অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ডগুলো এড়িয়ে চলুন। নিজেদের পোষা প্রাণীর নাম বা জন্মের বছরের মতো সুস্পষ্ট, যেগুলো খুব সহজেই অনুমান করা যায়। এগুলো এড়িয়ে চলুন। বাস্তব শব্দের উপর ভিত্তি করে পাসওয়ার্ড অভিধান আক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
পাসওয়ার্ড সুরক্ষায় কিছুদিন পর পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। এক থেকে তিন মাস অন্তর পাসওয়ার্ড বদলে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। নিয়মিত বদলে নেওয়া ভালো আপনার এটিএম কার্ডের পিন, অনলাইন ওয়ালেটের পাসওয়ার্ডও।
যে সব ক্ষেত্রে কোনো অ্যাপের পাসওয়ার্ডের সঙ্গে আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনোভাবে টু-পয়েন্ট অথেন্টিকেশনের সুযোগ আছে, সেখানে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা চালু রাখুন।
সবকয়টি অ্যাপ বা অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে একই ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার না-করা ভালো। যেমন আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের যে পাসওয়ার্ড সেটা আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হিসেবে বেছে না নেওয়া ভালো।
আজকালের কন্ঠ/আর বি