Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ২:৪৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুলাই ২৬, ২০২৫ , ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ

ছোট মেয়েকে কবরে রেখে কি করে ঘুমাব!

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাঁচ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে পরপারে চলে গেলেন চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আয়মান (১০) । আজ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন আয়মান।

গত ২৫ জুলাই তার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুরে বাদ ইশা’ হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাদা মাজেদ হাওলদারের পাশে লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। সে মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী ছিল।

এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার গ্রামের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশী আয়মানকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন।

তার চাচাতো বোন ইকরা (৯) কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার বোন আর আমার সাথে খেলবে না। আয়মান আমার ভালো বন্ধু ছিলো। আমার সাথে দেশে আসলেই খেলা করত। সে আর আসবে না আমি এখন কার সাথে খেলব।

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের প্রশিক্ষণ বিমান লোকালয় উড়ানো ঠিক হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। আয়মান এর মা ,বাবার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার বানানোর। সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। নিহত আয়মান বাবা ইসমাইল হোসেন বাপ্পি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

বাবা বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমি কাকে নিয়ে ঘুমাব। আমার মামনি আয়মান রাতে একা আমাকে ছাড়া কিভাবে থাকবে। ও আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ। এভাবেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

 

আজকালের কন্ঠ/আর এস

প্রিন্ট করুন