Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ১০:১৮ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুলাই ২৫, ২০২৫ , ৭:৫২ অপরাহ্ণ

পিরোজপুরে নিজ বসতঘরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হ’ত্যা

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি : ‎পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের ভৈরামপুর গ্রামে রোকেয়া বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে নিজ বসত ঘরে হত্যা করা হয়েছে। রোকেয়া বেগম ভৈরামপুর গ্রামের মৃত: মোক্তার আলীর স্ত্রী।

‎শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ৯.৩০ টায় স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের মেঝে থেকে বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেন। বৃহস্পতিবার (২৪জুলাই) রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী রেবেকা বেগম জানান, রোকেয়া বেগম তার স্বামী মারা যাওয়ার পর ঘরে একাই বসবাস করতেন। প্রতিদিন সকালে প্রতিবেশীরা তাকে ডাকাডাকি করে খোঁজ নিতেন। শুক্রবার সকাল ৯টায় তার আপন যা ডাকতে এসে ঘরের সামনের দরজা বন্ধ দেখে কোন সাড়া না পেয়ে পিছনে গিয়ে পিছনের দরজা খোলা দেখতে পায়। পিছনের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে মাঝ ঘরের মেঝেতে রোকেয়া বেগমের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায় এবং বৃদ্ধের নাতি আমিনুলকে মোবাইলে জানান। নাতি আমিনুল এসে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ এসে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেন।

‎রোকেয়া বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একাই ঘরে বসবাস করতেন এবং ঘটনার দিন তিনি ঘরে একাই ছিলেন। তার দুই ছেলে লিটন হাওলাদার ও মহসিন হাওলাদার। ছোট ছেলে মহসিন বিদেশে অবস্থান করছেন, আর বড় ছেলে লিটন হাওলাদার একই এলাকায় আলাদা বাড়িতে থাকেন। মেয়ে মাহফুজা আক্তার থাকেন স্বামীর বাড়িতে।

‎বৃদ্ধার ছেলে লিটন হাওলাদার বলেন, “আমাদের একই এলাকার রুমান হাওলাদারের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। তারা আমাদের বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল,তবে এ ছাড়া আমাদের কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না।”

‎পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।‎ঘটনাটি তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে

 

আজকালের কন্ঠ/আর এস/পিরোজপুর

প্রিন্ট করুন