Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:৫৫ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুলাই ১১, ২০২৫ , ৩:৩২ অপরাহ্ণ

নড়াইলে কৃষককে পিটিয়ে আহত

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

কাজী ইমরান, নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়ায় বিনা অপরাধে মো. মিল্টন মোল্যা (৫৫) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মিল্টন মোল্যা লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (১০জুলাই) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের স্থানীয় নজরুলের চায়ের দোকানের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মিল্টন মোল্যা পাংখারচর গ্রামের মৃত আবুল খায়ের মোল্যার ছেলে। মিল্টন মোল্যা কৃষি কাজের পাশাপাশি রঙ মিস্ত্রির কাজ করেন বলে জানা গেছে।

আহত মিল্টন মোল্যা জানান, আমি বুধবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পর স্থানীয় নজরুলের চায়ের দোকানে চা খাওয়ার জন্য বসে ছিলাম। হঠাৎ লংকারচর গ্রামের জসিম, শামিম মুন্সি, লেলিন মুন্সী, বোরহান শেখ, আফতাব শেখ, জাহাঙ্গীর শেখ, সেলিম মুন্সী, সাইফুল মুন্সীসহ ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসী ওই দোকানের মধ্যে ঢুকে আমাকে দেশীয় অস্ত্র হাতুড়ি, লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। কাছে থাকা ৫হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া শ্বাসরোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয়রা প্রতিরোধের জন্য এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, গত ৬মাস আগে ওই দূর্বৃত্তরা আমাকে ফোনে গালিগালাজ করে মারপিটসহ হত্যার হুমকি দিয়েছিলো। মোবাইলে হুমকির কথাবার্তা মোবাইলে রেকর্ড করা আছে। এরপর আমি হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলাম। আমার সাথে মারপিটকারীদের কোন শত্রুতা নাই। দূর্বৃত্তরা বলেছে আমার আপন বড় ভাইয়ের ছেলে মো. দিপু মোল্যার নিকট তারা টাকা পাবে। দিপু মোল্যা ঢাকায় থাকার কারণে আমাদের উপর চাপ দেই টাকা দেওয়ার জন্য জন্য অথচ আমি এর কিছুই জানিনা। অযথা আমার উপর হামলা চালানো হয়েছে।

মিল্টন মোল্যার স্ত্রী জানান, আমার স্বামীকে যারা মেরেছে তারা সবাই সন্ত্রাসী । তারা দীর্ঘদিন যাবৎ আমার স্বামীসহ আমাদের পরিবার পরিজনকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। আমার স্বামীকে যারা মেরে আহত করেছে তাদের যেন দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

আহত মিল্টন মোল্যার স্ত্রী হেলেনা বেগম বলেন, আমি বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় একটা এজাহার জমা দিয়েছি।

অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি/ইমরান

প্রিন্ট করুন