Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৫:০৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুন ২৭, ২০২৫ , ২:০০ পূর্বাহ্ণ

মহিপুর ছাত্রলীগ নেতার হামলায় জেলের মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর মহিপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ফকির (৪০) নামে এক জেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ফকিরের ছোট ভাই সোহেল ফকিরের (৩৫) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ওই গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে এবং পেশায় একজন মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রলারের স্টাফের কাছে সোহেল ফকিরের ২ হাজার ৪০০ টাকা পাওনা ছিল। সেই পাওনা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সোহেল ফকির ভারী কাঠের টুকরো দিয়ে শহিদুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত ও অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের কমিউনিটি উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াজ হোসেন জানান, বিকেল ৫টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হলে ইসিজির মাধ্যমে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহতের ছেলে সজল (১৯) বলেন, ‘‘সোহেল ফকির আমার বাবাকে গালাগালি করে টাকা দাবি করে। আমি তাৎক্ষণিক টাকা পরিশোধ করলেও সে বাবার মাথায় কাঠের ভারী টুকরো দিয়ে আঘাত করে। এতে বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।’’

ঘটনার বিষয়ে লতাচাপলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ন্যক্কারজনক। আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।’’

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ‘‘খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল ফকিরের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

প্রিন্ট করুন