Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৫:৪৫ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুন ৮, ২০২৫ , ১১:২২ অপরাহ্ণ

মুরাদনগর ডি,আর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ২০০২ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

মোঃ মাঈনুউদ্দিন বাহাদুর ,কুমিল্লা, জেলা প্রতিনিধি : ‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’ এই স্লোগানে উত্তর চট্টগ্রামের মুরাদনগর ডি,আর,সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুরাদনগর ডি,আর,সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০০২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ ই জুন ) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয়েছে এ অনুষ্ঠান।

এ অনুষ্ঠানে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ও সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বরণ করেন।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রফেসর মোঃ ফারুক আহম্মেদের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব ময়নাল হোসেন ।

তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, এ সময় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জনাব হালিম স্যার, জনাব মোঃ আমিরুল খন্দকার স্যার, জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ স্যার, জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম স্যার ।

২য় পুনর্মিলনীতে উৎসবে এসব প্রাক্তনরা মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন তারা ফিরে গেছেন নিজেদের শৈশবে। পুরোনো বন্ধুদের এক সঙ্গে পেয়ে সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে গিয়েছিল। একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে তৈরি করেন বন্ধুত্বের নতুন দ্বার। করে রাখেন ক্যামেরাবন্দি।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী সাংবাদিক মোঃ মাঈনুউদ্দিন বাহাদুর বলেন, ‘আমরা শৈশব-কৈশোরের খোঁজে এখানে ছুটে এসেছি, স্বপ্নের দুয়ারে, স্মৃতির আঙিনায়। বহুদিন পর স্কুলবন্ধুদের একত্রিত করতে পারলাম। নানা ব্যস্ততায় অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল না। ঈদকে উপলক্ষ করে বন্ধুদের একত্রিত করার উদ্যোগ নিই, আর সেই ভাবনা বাস্তবায়ন করতেই এই মিলনমেলা। সত্যিই দারুণ একটা দিন কাটিয়েছি।’

আবদুল আল মামুন নামে আরেক প্রাক্তন স্মৃতিচারণে বলেন, ‘এই মিলন মেলা ঈদের আনন্দ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সময় আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করলেও, জীবিকার তাগিদে অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। কেউ ঢাকা, কেউ চট্টগ্রাম, কেউবা আরও দূরদূরান্তের জেলায়। জীবনের এমনই নিয়ম। এখন হয়তো কালেভদ্রে সেসব বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়। ফলে আমরা চেয়েছিলাম এবারের ঈদের ছুটিতে সবাই একত্রিত হতে। সবাইকে দীর্ঘ ২৩ বছর পর পেয়ে অসাধারণ এক সময় উপভোগ করছি।’

শহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, ‘কৈশোরের বন্ধুত্ব কখনও হারায় না, হারিয়ে যাবার নয়। জীবন-জীবিকার তাগিদে আমরা হয়তো ব্যস্ত থাকি, কিন্তু ছেলেবেলা কখনও মুছে যায় না, অমলিন হয়ে থাকে স্মৃতিপটে। এ কারণে জীবন চলার পথে যতো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব হোক না কেন, স্কুলজীবনের বন্ধুত্বের মতো কখনও স্মৃতিময় হয় না। প্রকৃত বন্ধুই হলো স্কুল জীবনের খেলার সাথীরাই। তারাই প্রকৃত বন্ধু। এ কারণেই আমরা সবাই মিলে চেয়েছিলাম এমন একটা আয়োজন করতে যেখানে সবাই একসঙ্গে দীর্ঘ ২৩টি বছর পর একত্রিত হতে পারবো। এটি আমাদেরকে ছোটবেলা, স্কুলজীবনকে ফিরিয়ে দিয়েছে।’

মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে খেলাধুলা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনে আনে ভিন্ন মাত্রা। সেখানে একে অপরের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন এসব প্রাক্তনরা

প্রিন্ট করুন