নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের চৌমুহন গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাহেব আলী শেখ মাত্র দুই শতক জমিতে স্ত্রী, সন্তান ও ছেলেবউ নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। বাবার রেখে যাওয়া ৬ শতাংশ জমি তিন ভাই ভাগ করে নিয়েছেন। সাহেব আলী পেয়েছেন মাত্র দুই শতক, যেখানে সাতজনের সংসার কোনওমতে ঠাঁই পেয়েছে।
তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। এর মধ্যে দুই ছেলের বিয়ে দিয়েছেন, তৃতীয় ছেলে এখনও অবিবাহিত। পরিস্থিতির চাপে মেয়েকেও বিয়ে দিয়েছেন কিন্তু সমস্যা সেখানেই শেষ নয়।
সাহেব আলী বলেন,
- “নিজেরাই ঠিকমতো চলতে পারি না, তার ওপর এখন মেয়ে আর মেয়ের জামাইও আমার ঘাড়ের ওপর। ওদেরও ঘর নাই, তাই আমার ঘরেই এসে উঠছে। এতটুকু জায়গায় এত মানুষ থাকি, কী যে কষ্ট তা কেবল আমরাই জানি।”
- বৃষ্টির দিনে ঘরের ছাউনি দিয়ে পানি পড়ে, শীতে ঠান্ডায় কাঁপে ছোট ছোট নাতি-নাতনিরা। একাধিক প্রজন্মের মানুষ এই দুই শতক জমিতে গাদাগাদি করে কোনোমতে বেঁচে আছেন।পেশায় দিনমজুর সাহেব আলী কখনও ক্ষেতে কাজ করেন, কখনও অন্যের বাড়িতে শ্রম দেন। অভাবের তাড়নায় তিন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায়।
- স্থানীয়দের মতে, সাহেব আলীর মতো পরিবারই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর আবেদন
“সরকারের কাছে চাই, একটা মাথা গোঁজার ঠাঁই দিক। ঘর পেলে মরার আগে শান্তিতে থাকতাম।”