Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ২:৪৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুন ২, ২০২৫ , ৭:৪০ অপরাহ্ণ

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২০২৬

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

রানী সরকার, ঢাকা প্রতিনিধি : বাজেটের কাঠামো

২০২০-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা যা বিগত অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের তুলনায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা বা ৬.৭৯% বেশি।

নতুন বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।

কর খাত থেকে৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা এবং কর ব্যতীত আয় এর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৮.৮৮% বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মোট পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের এর চেয়ে (৪ ৭ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা) ৩.২৯% বেশি।

জিডিপি’র আকার ধরা হয়েছে আনুমানিক ৫০৮ বিলিয়ন ডলার।

বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা যা মোট জিডিপির ৩.৫৪%)

ঘাটতি বাজেট পূরণে ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ এবং ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা দেশের অভ্যন্তরীন খাত নেওয়া হবে। অভ্যন্তরীন খাত থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমান গত বছরের তুলনায় ৮,০০০ কোটি টাকা বা ৬.৮৪% বেশি।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেটে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করিনি।

ঘাটতি বাজেট মেটাতে গত বছরের থেকে বেশি মাত্রায় ব্যাংক নির্ভর হওয়া একটি নেতিবাচক দিক।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকিং খাতের উপর নির্ভরতা কমিয়ে করজালের আওতা বাড়িয়ে রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

ব্যাক্তি শ্রেনীর আয়কর

করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বেসরকারি চাকুরীজীবীদের আয়কর হিসাবে বিয়োজনের পরিমাণ ৪.৫০ লক্ষ টাকা হতে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

আয়কর এর জন্য Prospective করের বিধান চালু করা হয়েছে। কিন্তু ৫% স্ল্যাব স্কুলে দেওয়া এবং শুধুতে ওলাখ ৭৫ হাজার টাকার উদ্ধে পরবর্তী ও লাখ টাকার উপর ১০৭% করারোপ করা হয়েছে।

ব্যাক্তি করদাতার প্রাণ প্রাপ্তির উপর ০.২৫% থেকে ১% টার্নওভার কর নির্ধারন করা হয়েছে।

১ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকট বিবেচনায় করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখা হতাশাজনক।

আমরা করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা করার দাবি করছি।

আয়কর হিসাবে বিয়োজনের পরিমাণ বৃদ্ধি করাকে ইতিবাচক মনে করছি।

Prospective করের বিধান ইতিবাচক, তবে কর স্ল্যাবে পরিবর্তন মধ্যবিন্ত ও চাকুরিজীবিদের উপর করের বোঝা বৃদ্ধি পাবে।

টার্নওভার করের হার বৃদ্ধি করায় ব্যক্তিশ্রেনীর করহার উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কর্পোরেট কর

ব্যক্তিশ্রেণির পাশাপাশি কোম্পানি করদাতাদের অনলাইনুে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামুলক করা হয়েছে।

কোম্পানীর অনুমোদনযোগ্য বিয়োজনের আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

টার্নওভার কর ০.৬% থেকে বাড়িয়ে ১% করা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামুলক করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ ও অনুমোদনযোগ্য বিয়োজনের আওতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এতে করে ব্যবসায়ীরা কর প্রদানে কিছুতা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করছি।

টার্নওভার কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে আমরা পুর্নবিবেচনার দাবি করছি।

মূল্য সংযোজন কর (মুসক)

প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্স পন্য উৎপাদনে মুসক হার বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মোবাইল ফোন তৈরিতে ভ্যাট বাড়িয়ে ১০% করা হয়েছে।

প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদনে ভ্যাটের হার ১৫% করা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

এ সকল ভ্যাট বুদ্ধির ফলে স্থানীয় শিল্প ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আমরা এই প্রস্তাবকে পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।

অগ্রিম কর ও উৎসে কর

শিল্প খাতে ব্যবহৃত কাঁচামালের উপর ৩% আগাম কর কমিয়ে ২% করা হয়েছে।

ন্যূনতম করের কারণে কোনো করদাতা নিয়মিত করের যে পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রদান করবে তা পরবর্তী করবর্ষসমূহে সমন্বয় করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

করমুক্ত প্রায় ১৫২টি পণ্যের ওপর আমদানি পর্যায়ে ২% অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপ করা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

আগাম কর কমানোর ফলে ব্যবসায়িদের কার্যকর মূলধন বৃদ্ধি পাবে।

ন্যূনতম কর ভবিষ্যতে সমন্বয় করার সুযোগ থাকায় ব্যবসায়িদের খরচ কমবে।

আমদানি পর্যায়ে করমুক্ত পণ্যের ওপর ২% অগ্রিম আয়কর আরোপকে আমরা wise মনে করছি না। এতে করে ব্যবসায়ের কার্যকরি মূলধন কমে যাবে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী

এডিপির আকার ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা যা গত বছরের সংশোধিত এডিপির তুলনায় ৬৪৮% বেশি।

সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত ৫৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা, যা এ খাতের গত বছরের এডিপির থেকে ২৩.৯৩% বেশি।

উল্লেখ্য যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৪১.৩১%।
ঢাকা চেম্বারের

এটিপি বারছেন যে কোচিডের পরে সর্বনিম্ন।

আমরা দেখি মের আদায়ে যখনই চাপ দেখা যায়, সহজাত ভাবেই বার্ষিক উনয়নে বয়ে কমানোর প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়।

আমাদের প্রস্তাবনা হচ্ছে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে বার্ষিক তৈখন ব্যায় বহবাড়ানো।

স্থানীয়, আমদানি ও রপ্তানিমুখী শিল্প

বাজেটে শুল্ক ও কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আমদানি শুল্কে একটি নতুন ৩% স্তর যুক্তঙ্গু হওয়া এবং সম্পূরক শুল্কে ৪০% এর একটি নতুন স্তর যোগ কর

দেশীয় সফটওয়্যার রপ্তানি উৎসাহিত করতে প্রযুক্তিপণ্য আমদানিতে শুদ্ধ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

দেশীয় টেক্সটাইল দিলে উৎপাদিত প্রতি কেজি কটন সুতা ও ম্যান মেইড ফাইবারে তৈরি সুতার সুনির্দিষ্ট কর: টাকা থেকে বাড়িয়ে টাকা করা হয়েছে।

সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস’ ও ‘ফ্রি জোন বন্ডেড ওয়্যারহাউস’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে।

বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের এককালীন বন্ডিং ক্যাপাসিটির বিদ্যমান প্রাপ্যতা এক-তৃতীয়াংশ হতে বৃদ্ধি করে অর্ধেক করা হয়েছে।

আমদানি পণ্যের শুল্ক-কর পর্যায়ক্রমে হ্রাস করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংলাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৬২৬ পণ্যের CD সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ও হ্রাস এবং SD সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার এবং হ্রাস করা হয়েছে।

অটোমোবাইল খাতের বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের আমদানিতে আমদানি শুল্ক ১০% থেকে বাড়িয়ে ২৫% করা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের बरन

শুদ্ধ ব্যবস্থাপনাকে যৌক্তিকিকরণকে আমরা স্থানীয় ব্যবসায়ের জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছি।

দেশীয় টেক্সটাইল মিলে উৎপাদিত পণ্যের উপর কর বৃদ্ধি স্থানীয় শিল্পের উপর চাপ বৃদ্ধি করবে।

৭তৈরি পোশাক খাতের সংশ্লিষ্ট Backward Linkage শিল্পের খরচ বাড়বে।

বহু ব্যবস্থাকে সহজীকরণ ও ব্যবসাবান্ধব করার উদ্দেশ্যে গৃহীত সবল উদ্যোগ রপ্তানিমুখি প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানিতে সময় ও খরচ উভয়ই হ্রাস করবে।

অটোমোবাইল যাতে আমদানি শুদ্ধ বৃদ্ধিতে উন্ন্সপোর্ট ব্যয় বৃদ্ধি করবে।

আমদানি পণ্যের শুল্ক-কর প্রত্যাহার ও হ্রাস জনসাধারণের ওপর করের ভার কিছুটা লাঘব করবে এবং পণ্য রপ্তানিতে Anti Export Bias হ্রাস করবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ২২ হাজার ৫২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ০.৮১% কম।

গ্যাস বিতরণে নিযুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের হার ২% এর স্থলে ০.৬% নির্ধারণ করা হয়েছে।

Liquefied Natural Gas (LNG) এর আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

যেহেতু বিদ্যুতের প্রায় ৬৫% গ্যাস নির্ভর, সেহেতু স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

Liquefied Natural Gas (LNG) এর জামদানি পর্যায়ে গ্যাসের উৎসে কর কমানোর ও ভ্যাট প্রত্যাহারের ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতে ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদী কোন সমাধান নয়।
আমরা চাই, হাসানি খাতের বাজেটে অফ-পেশার ও অনপোর উৎপাদনের জন্য বরাদ্ধ ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। পক্ষান্তরে বিদু্যুৎ খাতের বাজেট বরাদ্দ কমানোর দাবি করছি।

শিক্ষা খাত

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমিয়ে ৮২ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা করা হয়েছে।

গত বছর এ বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৭৪ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান:

শিক্ষা খাতের এই বাজেট বুদ্ধি, উৎপাদন ও কর্মমুখী শিক্ষা বিস্তারের জন্য সহায়ক হবে। এ বরাদ্ধ গবেষণা ও উন্নয়ন আরও বেশি ব্যয় করা প্রয়োজন।

কৃষি CMSMEs

স্বাভাবিক ব্যক্তির “কৃষি হইতে আয়” অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে।

নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মুসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়মে জনির হার ৫ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

এসএমই উভয়নে ১৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং ২৫ হাজার উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের অবস্থান

কৃষি উৎপাদনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করা ইতিবাচক পদক্ষেপ।

জরিমানার হার কমানো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধা প্রদান করবে, জরিমানা প্রদান না করতে পারলেও পরবর্তী মাসের রির্টান/জিরো রির্টান জমা প্রদান করার সুযোগ রাখার জন্য প্রস্তাব করছি।

রাজনৈতিক অস্থিরতা, চলমান বাণিজ্যি ও অর্থনৈতিক সংকটকালীন সময়ে আইএমএফ এর শর্ত অনুযায়ী বিভিন্ন খাতের কর অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হলেও CMSME এর জন্য কোন রোডম্যাপ নেই। যা একটি নেতিবাচক প্রভাব রাখবে।

উপসংহার

ঢাকা চেম্বার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানায়।

বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, করজাল সম্প্রসারণ এবং অটোমেটেড রিটার্ন ব্যবস্থা চালুর মতো বিষয়গুলো আপতদৃষ্টিতে ইতিবাচক।

তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, ভারতের সাথে non-tariff barier এবং আইএমএফ-এর শর্তানুসারে কর অব্যাহতি সীমিতকরণসহ কিছু চ্যালেঞ্জ বাজেট বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলতে পারে।

একই সাথে, উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি ও বিকল্প অর্থায়ন উৎস তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে ঢাকা চেম্বার মনে করে, একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গঠনে এই বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

করজাল সম্প্রসারণ, টার্নওভার করের আওতামুক্ত সীমা বৃদ্ধি, সকল ট্যারিফ মূল্য প্রত্যাহাং IFRS for SMEs সংক্রান্ত আইনের ধারা প্রতিস্থাপন, আমদানি পর্যায়ে উৎপাদনকারীদের জন্য আগাম কর হাস,

বাণিজ্যিক আমদানিকারদের জন্য যৌক্তিকিকরণ, এলএনজি এর আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার ও বিক্রয় পর্যায়ে, পিএসআর জমার বাধ্যবাধকতা শিথীল করা উৎসে কর কমানো, অনুমোদনযোগ্য বিয়োজনের আওতা বৃদ্ধি

জরিমানার হার ৫ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করা, আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম কর কমানো, কর্পোরেট করের অটোমেটেট রিটার্ন পদ্ধতি চালুর পাশাপাশি বিগত কয়েক বছরের ঢাকা চেম্বারের বেশ কিছু প্রস্তাবনা গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নেওয়ায় আমরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তবে বিনিয়োগ, Doing Business পরিবেশ উন্নয়ন, CMSME এবং ব্যাংকিং খাত সংস্কার বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই।

এসব পদক্ষেপ বাজেটে বিবেচনা করা হলে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ইতিবাচক ধারায় ফিরতো।

প্রিন্ট করুন