Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ২:৪৭ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জুন ২, ২০২৫ , ৭:১১ অপরাহ্ণ

বাঘারপাড়ার হাট বাজার গুলোতে সবজি সহ তুলনা মূলক কমেছে আটার দাম, অপরিবর্তিত রয়েছে চাল ও তেলের দাম “

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

সাঈদ ইবনে হানিফ, বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার গুলোতে সম্প্রতি সময়ে সবজির দাম তুলনামূলক ভাবে কমেছে । পাশাপাশি খাদ্য পণ্যের মধ্যে আটার দাম ৬০ টাকা থেকে কমে ৩৫ টাকা হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মনে। তবে কিছু টা অপরিবর্তিত রয়েছে চাল ও তেলের দাম।

বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে , বেগুন, ডাটা, পোটল , জিঙ্গে , উচ্ছে , লাউ , আলু ও পিঁয়াজ রসুন সহ অন্যান্য জিনিসপত্র দাম । তবে
চাল, তেল , মুরগী মাছ , মাংশ ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে নয় ।

গত কয়েকদিন বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন ৩০ টাকা , পেঁপে ৩০ টাকা কেজি, লাউ ২০/২৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা , শুকনো মরিচ ৪০ টাকা একশো গ্রাম । শসা ৩০ টাকা কেজি, আলু ১৫/২০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি, রসুন ১২০/ ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, ঘোষনার বাগডাঙ্গা বাজারের সবজি দোকানদার আমিনুর রহমান, মুস্তাইন বলেন , তরি-তরকারির দাম হওয়ায় মানুষ এখন প্যাকেট ভর্তি বাজার করতে পারছে । মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার ১৬০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগী ৩০০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৬৫০/ ৭০০ টাকা ও খাশির মাংস ১১০০ টাকা কেজি। মাছের বাজার ” তেলাপিয়া মাছ ১২০টাকা / ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ১৮০ থেকে ২২০ টাকা রুই মাছের কেজি,টেংরা মাছের কেজি ২৭০/ থেকে ৩৫০ টাকা। চিংড়ি মাছ প্রকার ভেদ ৪০০, ৬০০ ও ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস মাছ ১৪০ থেকে ১৭৫ কেজি বিক্রি হচ্ছে। চাউল ” নাজির শাইল চাউল প্রতি কেজি ৫৭থেকে ৮৫ টাকা,মিনিকেটের চাউল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, আাঠাইস চাউল ৬৫ টাকা কেজি, পোলাও চাল ১২০ থেকে ১৪০ ও বাঁশ মতি চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে। মোটা চাল ৫৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গতকাল ৩১ শে, মে উপজেলার চাড়াভিটা বাজার , ও বাগডাঙ্গা , ঘুনি বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,

এখন গরমের মৌসুম , তবুও সবজির প্রচুর আমদানি বাজারে বিশেষ করে বেগুন ,পটোল, মিষ্ট কুমড়া , করলা , জিঙ্গে , পুঁইশাক , লালশাক , অনেক টা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। গত শনিবার বাঘারপাড়া উপজেলার চাড়াভিটা বাজারের ব্যাবসায়ী কামাল উদ্দিন জানায়, আলু পেঁয়াজ মজুদ থাকায় দাম অনেক কমেছে। তরিতরকারির দামও কম , রসূনের দাম আগের মতই আছে। চাল ব্যাবসায়ী হারুন বলেন,,চালের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সেন্ডিকেটের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।বাজার করতে আসা তবিবর সাহেব বলেন, সবজির দাম কমলে ও মাছ মুরগির এবং ডিমের দাম আগের মতই আছে , এগুলোর দাম একটু কমলে গরিব মানুষের পক্ষে ভালো হতো । বাজারে বর্তমানে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা পিস । তাছাড়া কমেনি চালের দাম ।

মাছ ব্যবসায়ী স্বপন কুমার বলেন, সামোদ্রিক মাছের দাম একটু কম ঘেরের মাছের দাম খুব বেশি। চাল কিনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে সব মিলিয়ে সবজির দাম কম হলেও চাল, তেল , মুরগী , ডিম এবং মাংশের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত । সবজির পাশাপাশি এগুলোর দাম কমলে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে যোগ হতো

প্রিন্ট করুন