Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:০৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মে ১১, ২০২৫ , ৫:২০ অপরাহ্ণ

কুয়াকাটায় মাতৃত্বকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অ’ভিযোগ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: কুয়াকাটার লতাচাপলী ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার তালিকাভুক্তির নামে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা করে আদায়ের অভিযোগ ইউপি সদস্য নুরুন্নাহারের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসী জানান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুন্নাহার প্রতি আবেদনকারীর কাছ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত দুই থেকে তিন মাস ধরে এই অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটে আসছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সরকারি এই সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় অন্তঃসত্ত্বা নারী ও প্রতিবন্ধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নুরুন্নাহার নিয়মিতভাবে টাকা আদায় করেছেন। এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং সমাজে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “ওই মহিলা মেম্বার একেকটা ওয়ার্ড থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নাম তালিকায় না রাখার ভয়ে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না। এভাবে অনেকের ভাতার নাম বাদ পড়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন প্রকৃত সুবিধাভোগীরা।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নুরুন্নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কারো কাছ থেকে কোন টাকা-পয়সা নেই নাই। এসব মিথ্যা অভিযোগ।”

এ ব্যাপারে লতাচাপলি ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, মাতৃত্বকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করনের ক্ষেত্রে কোন টাকা পয়সা নেয়ার সুযোগ নাই, যদি কোন ইউপি সদস্য এরকমের কাজ করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপ অব্যাহত থাকলে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারাবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

প্রিন্ট করুন