Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১:১৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মে ১১, ২০২৫ , ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের সংবাদ স’ম্মেলন

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

মো:নাজমুল হোসেন পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি : দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা,বানোয়াট,উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করছেন পিরোজপুর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু।

রোববার(১১মে) দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় পিরোজপুর জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু তার লিখিত বক্তব্যে বলেন,গত ১০মে ২০২৫ তারিখ জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিক হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন,বানোয়াট ও কাল্পনিক। একটি কুচক্রী মহল,তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও কিছু আওয়ামী লীগের দোষর তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তার একাধিক গাড়ির যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সঠিক নয়,প্রকৃত পক্ষে তার গাড়ী সংখ্যা ০১টি এবং তিনি প্রথম ২০০৫ সালে ০১টি গাড়ি ক্রয় করে ব্যবহার করেন পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ঐ গাড়িটি পরিবর্তন করে আরেকটি গাড়ি ক্রয় করেন এবং বর্তমানে তিনি সেই গাড়িটিই ব্যবহার করছেন। উক্ত গাড়িটি ছাড়া তার নামে আর কোন নিজস্ব গাড়ি নেই। সংবাদে প্রকাশিক যে গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে,আগুনে তার গাড়ি পুড়েছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। প্রকাশিত সংবাদে তার নিকট আত্মীয়র নামের গাড়ী ও গাড়ীর ব্যবসাকে তার নামে দেখানে হয়েছে তাও চরম মিথ্যাচার ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে তার আত্মায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে তাদের বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্য করছেন,তার ছেলে বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ালেখা করে তার কোন ব্যবসা বা ব্যবসায়িক পাটনার নেই আমার নামে ও কোন ইটভাটা নেই।

সংবাদে তার নামে যে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির কথা উল্লখ করা হয়েছে তাও বানোয়াট ও কাল্পনিক। তিনি ভান্ডারিয়া বা পিরোজপুর সদর এমনকি জেলার কোন স্থানে কোন কাজের টেন্ডারের বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করেননি।

পিরোজপুর জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কমিটি গঠন করা হচ্ছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কোন প্রকার অনিয়ম,অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ দেখা হয়নি। এছাড়া বহিস্কারের বিষয়ে যে সকল কথা বলা হয়েছে তাও মিথ্যা। যাদের বহিস্কার করা হয়েছে তা কেন্দ্র থেকে এবং ছাত্রদলের নিজস্ব বিষয়। এই বহিষ্কারেরও তার কোন হস্তক্ষেপ নেই।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যাওয়ার সেতু সংসদ ভবন এলাকা থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিলেটে,এই সেতু খুলে নেয়ার বিষয়ে তিনি বা তার বড় ভাই কোন ভাবেই জড়িত নয়।কাল্পিনিক ভাবে এই ঘটনায় তাদের নাম জড়ানো হয়ে। এছাড়াও সংবাদে কিছু মনগড়া ও অনুমান নির্ভর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা একজন মানুষের মানহানির সামিল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: ছালাম বাতেন,সদস্য শেখ শহিদুল্লাহ শহীদ,সদস্য হাসানুল কবির লীন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন টিপু,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শরিফ হোসেন মনি,জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক মাসুদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কুমার সহ জেলা বিএনপির, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

প্রিন্ট করুন