শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান নদী ভাঙ্গন এলাকায় পায়ে হেঁটে মুছাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের খোঁজ-খবর নেন। নদী ভাঙনের শিকার মানুষদের সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও স্থায়ী বাধের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার (১মে) সকাল ১১ টা সময় নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মুছাপুর ক্লােজার,এবং নদীর পাড়ের ভাঙন পরিদর্শন করেন, বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান।
এসময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মিনী নোয়াখালী-৫ আসনের সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ বলেন,নদী গর্ভে বিলীন হওয়া মুছাপুর ক্লোজারের দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে পানি সম্পদ সচিব নাজমুল আহসানের সাথে সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তিনি ক্লোজার এলাকায় পুনরায় স্লুইসগেট নির্মাণ এবং ক্রসড্যাম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষদের জীবনমান রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে সচিব মহোদয়কে জোর তাগিদ দেন। তিনি আরো বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যাচ্ছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে মুছাপুর ক্লোজারের পূণ:নির্মাণ কাজ শুরু করতে না পারলে বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে অনশন করবো এবং প্রয়োজনে ম্যাডাম খালেদা জিয়াকেও এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবহিত করব।
বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান নদী ভাঙ্গন এলাকায় পরিদর্শন সময় চারপার্বতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ মুছাপুর ক্লোজার কাজ শুরু করতে আরো সময় লাগতে পারে, তাই বর্তমানে মুছাপুর,চরহাজারী, চরপার্বতী,চরদরবেশ, চরমজলিস পুর ইউনিয়নসহ, এবং দাগনভূঞা,সোনাগাজী উপজেলার ভাঙ্গন থেকে বাঁচাতে হলে মুছাপুর ক্লোজার এরিয়াতে একটা ডুবো বান দিতে হবে। যাতে করে ফেনী এরিয়ার পানি আটকে যাবে,অতিরিক্ত পানি চলে যাবে, ঐ আটকানো পানির কারনে জোয়ারের পানি উপরে জোরো উঠতে পারবেনা। ভাটার পানি ও অতিবৃষ্টির বেশি বেগে নামতে পারবেনা,তাই উক্ত এরিয়া জোয়ার ভাটায় নদী ভাঙ্গবে এই কথা সচিবকে অবহিত করেছে চেয়ারম্যান কাজী হানিফ।
মুছাপুর ক্লোজারে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন,তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাছান মাহমুদ, নির্বাহী প্রকৌশলী হালিম সালেহীন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনসাধারণ।