Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ২৪, ২০২৫ , ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

মোহনগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষণ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে প্রেমের সূত্র ধরে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ধ*র্ষণের ঘটনা মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণ করেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রামের মো. শাহজাহান মেম্বারের ছেলে আজিজুল ইসলাম (১৮), একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রফিক (২৪) ও মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সাকিব মিয়া (২৬)। তারা সবাই রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভুক্তভোগী কিশোরী (১৭) মোহনগঞ্জ পৌরশহরের একটি গ্রামের বাসিন্দা। কিছুদিন মাদরাসায় পড়াশোনা করে ছেড়ে দিয়ে পরে বাসায় অবস্থান করছিল।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাজমিস্ত্রী আজিজুলের সঙ্গে ৩-৪ মাস আগে ইমোতে কথোপকথনের সূত্র ধরে ওই কিশোরীর পরিচয় হয়।

তারপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো। গত ১৬ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে আজিজুল ওই কিশোরীকে বিয়ে করার প্রলোভনে মোহনগঞ্জ শহরের আলোকদিয়া সেতুর ওপর ডেকে নিয়ে যায়।

পরে সেখান থেকে আজিজুল আর রফিক মিলে মোটরসাইকেলে করে ওই কিশোরীকে ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রামের সামনের হাওরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে।

এসময় ধ*র্ষণের ঘটনা মোবাইলে ফোনে ভিডিও ধারণ করে। কিছু সময় পর সাকিব সেখানে যায়, পরে সাবিকও তাকে ধ*র্ষণ করেন। এভাবে পর্যায়ক্রমে রাতভর ধ*র্ষণ শেষে ভোরে ওই কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায় ওই তিনজন। সেইসঙ্গে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য তারা ওই কিশোরীকে শাসিয়ে যায়। অন্যথায় ধ*র্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

এদিকে ভয়ে ঘটনা চেপে থাকে ওই কিশোরী। পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। ঘটনা শুনে মঙ্গলবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই। অভিযোগ পেয়ে ভোরে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা ধ*র্ষণ ও এ ঘটনার ভিডিও ধারণের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ

প্রিন্ট করুন