Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৮:২০ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ১৪, ২০২৫ , ৩:২৩ অপরাহ্ণ

কোম্পানীগঞ্জে ফ্রেন্ডস ফোরামের আড্ডা: বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত রূপে চাই বাংলা নববর্ষ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসুরহাট উত্তর বাজার ফ্রেন্ডস ফোরামের উদ্যোগে বসেছিল এক মিলন– আড্ডা,যে আড্ডায় সবার কণ্ঠেই ছিল একই চাওয়া, ‘বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত রূপেই আমরা চাই বাংলা নববর্ষ। এ চাওয়া সাময়িক সময়ের জন্য নয়, চিরকালের জন্য।’

সোমবার(১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনায় বিশ্বাসী বন্ধুরা বসুরহাট উত্তর বাজার ফ্রেন্ডস ফোরামের উদ্যোগে

আড্ডায় এমন আকুতিই বেরিয়ে আসে সবার কণ্ঠে। সকল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিরতিহীন এই আড্ডায় যেমন ছিল খাওয়াদাওয়া, তেমনি ছিল ফেলে আসা দিনের বৈশাখী উৎসবের স্মৃতিচারণা, কবিতা আবৃত্তি ও গান। পাশাপাশি ছিল বাঙালির চিরায়ত এই সাংস্কৃতিক উৎসবের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে সৃষ্ট পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তরুণ প্রজন্মের,এবং প্রগতিশীল ছাত্রনেতা,বসুরহাট পৌরসভার ৪ নাম্বার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর তৌহিদ। তাঁকে সহায়তা করেন সাজু, দিপু, শাহীন, বাবলু, সৌরভ,তৌহিদ। এরে সমবেত কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো…’ গানটি গেয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানান অংশগ্রহণকারীরা।

মজাদার বৈশাখী ভোজে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে অনেকেই স্মৃতিচারণা করেন ফেলে আসা নববর্ষের অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে। ওই দিনগুলো কেন হারিয়ে যাচ্ছে, এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করেন কেউ কেউ।

আয়োজকের সমন্বয় কাতার প্রবাসী সাজু বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা ভুলতে বসেছে। বিশ্বায়নের বিভ্রান্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে হতে হবে শিকড়সন্ধানী। সংস্কৃতি ও নৈতিকতার চেতনা জাগ্রত করে বাঙালি হিসেবে গর্বের সঙ্গে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। আঁকড়ে ধরতে হবে বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতিকে।

আয়োজকেরা আরও বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ পরমতসহিষ্ণুতা, সদ্ভাব, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বিবেক ও মনুষ্যত্বের দীক্ষা দিয়ে যায় আমাদের। তাই তো আমরা বলে উঠি, “প্রাণে প্রাণে লাগুক শুভ কল্যাণের দোলা”, ‘নবআনন্দ বাজুক প্রাণে”, আজ “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা”।’ তাঁরা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা ভুলতে বসেছে। বিশ্বায়নের বিভ্রান্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে হতে হবে শিকড়সন্ধানী। সংস্কৃতি ও নৈতিকতার চেতনা জাগ্রত করে বাঙালি হিসেবে গর্বের সঙ্গে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। আঁকড়ে ধরতে হবে বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতিকে।

প্রোগ্রামের গিফট হিসাবে গামছা বিতরণ মাটির প্লেট দেওয়া হয়।পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, ইত্যাদির আয়োজন করেছে।

 

প্রিন্ট করুন