আজকালের কন্ঠ ডেস্কঃ চলতি বছরের হজের জন্য মক্কা ও মদিনায় যথাসময়ে বাড়ি ভাড়া ও হজযাত্রী পরিবহন চুক্তি করেনি দেশের ৯ হজ এজেন্সি। এতে ৩৬৮ জনের হজ পালন নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা । প্রতি বছর হজে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ একত্র হন সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে। অধিকাংশ মানুষই গিয়ে ওঠেন ভাড়া বাড়িতে। আর এ বাড়ি ভাড়ার কাজটি করে থাকে হজ এজেন্সিগুলো।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ৯ এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- সেই ব্যাখ্যা চেয়েছে সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গত রোববার (৬ এপ্রিল) এই ব্যাখ্যা চেয়ে এজেন্সি মালিকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।নোটিশে বলা হয়, ২০২৫ সালের হজে চ্যালেঞ্জার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেডের (হজ লাইসেন্স নং-০০৪৫) সঙ্গে সমন্বয়কারী নয়টি এজেন্সিকে ক্রমাগত তাগিদ দেওয়ার পরও মক্কা ও মদিনায় তাদের হজযাত্রীদের জন্য বাড়ি ভাড়া ও পরিবহন চুক্তি সম্পন্ন করেনি বলে লিড এজেন্সি থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, হজযাত্রীদের মক্কা ও মদিনায় যথাসময়ে বাড়ি ভাড়া ও পরিবহন চুক্তি না করার জন্য কেন সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এবং ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২২’ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- তার উপযুক্ত ব্যাখ্যা ৭ এপ্রিলের মধ্যে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। কোনো হজযাত্রী এজেন্সির অবহেলাজনিত কারণে হজ পালন করতে না পারলে সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিকে বহন করতে হবে।
এদিকে হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের ত্রুটি বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে রামু উপজেলা মডেল মসজিদ পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, কোনো এজেন্সির দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৫ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এবার হজে বাংলাদেশ থেকে ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রী হজ পালন করবেন। তার আগে, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।