পূর্ব শত্রু তার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা রাইয়ান ইসলামের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা।
গতকাল ২৩ মার্চ সন্ধ্যারাতে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে রাইয়ানের বাবা মো: সহিদ মিয়ার রাইস মিলে হামলা করে একদল সন্ত্রাসী। তারা চিৎকার করে ভাঙচুর করতে থাকে আর রাইয়ানকে খুজতে থাকে। এই সময় রাইয়ানের বাবা বাধা দিতে আসলে তাকে মারধোর করে মারত্মকভাবে আহত করা হয়।
সহিদ মিয়া বলেন, আমার ছেলে ছাত্রলীগ করত। তাই তারা আমার রাইস মিল ভেঙে দিয়েছে। আগুন দিতে গিয়েছে। আমাকে মারধর করেছে। পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই হামলা করা হয়েছে। আমাদের উপর এই হামলা করেছে ছাত্রদল নেতা ইকবাল চৌধুরি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী হিকমত মিয়া বলেন, সন্ধ্যার পরপর একদল মানুষ এসে মব সৃষ্টি করে এই হামলা করে। রাইস মিলে আগুন দেয় আমরা সবাই উপস্থিত হলে তারা চলে যায়। পরে আমরা আগুন নিভিয়ে সহিদ মিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালে চাদাবাজ-লুটতরাজ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ নেতা রাইয়ানের নেতৃত্বে তা প্রতিহত করা হয় এবং দু-গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ছাত্রদল নেতা ইকবাল চৌধুরীরসহ আরও অনেকে আহত হন।
রাইয়ান পড়াশোনা করেছেন সিলেট বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগের পতনের পর রাইয়ান উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে চলে যান। আওয়ামী লীগের পতনের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা করা শুরু করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা।
এদিকে থানায় মামলা নিচ্ছে না বলে জানান রাইয়ানের বাবা সহিদ মিয়া।
দিরাই থানার ওসি বলেন, এই হামলার বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নিব।