Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মার্চ ১৯, ২০২৫ , ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

চালের রাজ্য নওগাঁয় বেড়েই চলেছে চালের দাম

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : ধান উৎপাদনে দেশের অন্যতম শীর্ষ জেলা নওগাঁয় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে চালের দাম।উত্তর বঙ্গের শস্য ভান্ডার নামে খ্যাত এবং ধান উৎপাদনে দেশের অন্যতম শীর্ষ জেলা নওগাঁতে চালের দাম বেড়েই চলেছে।

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি সরু চালের দাম বেড়েছে ২-৪ টাকা। পাইকারি বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারেও বেড়েছে চালের দাম। খুচরা বাজারে প্রকার ভেদে প্রতি কেজি চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১-৩ টাকা।

এদিকে প্রায় দেড় মাস ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে মোটা চালের দাম। রমজান মাসে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষগুলো।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন সরু ধান হিসেবে পরিচিত জিরাশাইল (জিরা) ও কাটারিভোগ (কাটারি) ধানের আমদানি বর্তমানে বাজারে নেই বললেই চলে। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম থাকায় তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। স্থানীয় বাজারে দুই থেকে তিন সপ্তাহের ব্যবধানে জিরাশাইল ও কাটারি ভোগ ধানের দাম মন প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ধানের মূল্য বৃদ্ধির কারণে চালের দামও বেড়েছে।

নওগাঁ শহরের আরতদারপট্টির পাইকারি চালবাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে মানভেদে প্রতি কেজি চালের দাম ২-৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে জিরাশাইল ৭৮-৮০ টাকা এবং কাটারিভোগ ৮২-৮৩ টাকা দরে বিক্রি করছেন মিল মালিক ও আরতদাররা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে মোটা চাল নামে পরিচিত স্বর্ণা-৫ জাতের চালের দাম। প্রতি কেজি স্বর্ণা-৫ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৩ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এই মোকামে মানভেদে প্রতি কেজি জিরাশাইল ৭৫-৭৬ টাকা এবং কাটারিভোগ ৭৯-৮০ টাকা করে বিক্রি হয়েছিল।

অপরদিকে নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে মানভেদে প্রতি কেজি স্বর্ণা-৫ জাতের চাল ৫৪-৫৫ টাকা, জিরাশাইল ৭৮-৮০ টাকা, কাটারিভোগ ৭৯-৮২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারত থেকে আমদানি করা কাটারি চাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭২ টাকা কেজি দরে। এই চালের বাজার দর একমাস ধরে স্থিতিশীল রয়েছে।

নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল বজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ী তাপস খাদ্য ভান্ডারের প্রোপাইটর শ্রী তাপশ কুমার মন্ডল বলেন, জিরা এবং কাটারি চালের ৫০ কেজির বস্তা বর্তমানে ১০০-১৫০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। যার কারণে খুচরা বাজারেও দাম কিছুটা বেশি। খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেচাকেনা একেবারেই নেই। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২ হাজার টাকারও চাল বিক্রি হয়নি। এলসি না থাকলে এসব চালের দাম আরও বেশি হতো।

নওগাঁ শহরের আরতদারপট্টির পাইকারি চাল ব্যবসায়ী মেসার্স সততা রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী সুকুমার ব্রহ্ম বলেন, রোযার কারণে মানুষ মোটা চাল খাচ্ছে না। সরু বা চিকন চালগুলোই বেশি কিনছে। যার কারণে এই চালগুলোর চাহিদা একটু বেশি। এখন মৌসুমের শেষ সময় হওয়ায় বাজারে তেমন ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণে সরু চালের দাম কেজিপ্রতি ২-৩ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন ধান বাজারে আসলে চালের দাম আবারও কমে আসবে।

নওগাঁ জেলা কল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরাদ হোসেন চকদার ‘দৈনিক আজকালের কন্ঠ’ কে বলেন দেশীয় উৎপাদিত জিরা এবং কাটারি ধান বাজার তেমন পাওয়া যাচ্ছে না । যার কারণে এই দুটি চালের দাম একটু বেশি। এছাড়া স্বর্ণা-৫ জাতের চালের দাম দেড় মাস ধরে স্থিতিশীল রয়েছে। স্বর্ণা-৫ বাজারে তেমন বিক্রিও হচ্ছে না। মৌসুমের নতুন ধানের ফলন ভালো হলে চালের দাম কমে আসবে। নতুন ধান না আসা পর্যন্ত দেড়-দুই মাস জিরা এবং কাটারি চালের দাম একই রকম থাকতে পারে। এলসির মাধ্যমে আনা চালগুলোর দাম স্থি

প্রিন্ট করুন