Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫ , ৫:৫১ অপরাহ্ণ

ইবি থানা স্বস্থানে বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

ইবি প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবি থানা স্বস্থানে বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী সহ সংলগ্ন এলাকার স্থানীয় লোকজন।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইটের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন এলাকা হরিনারায়নপুর, আব্দালপুর ও ত্রিবেণী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ কর্মসূচি পালন করে।

এ সময় লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের সঞ্চলনায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইবি কমিউনিকেশন এ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ রশিদুজ্জামান, ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর, ত্রিবেনী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর ইকবল মোল্লা, হরিনারায়নপুর ইউনিয়নের জামায়েত ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান, খাতের আলী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ইবি শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বায়ক এস এম সুইট, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইবি শাখার সভাপতি শাহেদ আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইবি শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান,ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সাংসদ শাখার সভাপতি মাহমুদুল সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ও স্থানীয় এলাকার লোকজন।

এ সময় মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এই থানাকে রাখার জন্য সর্বপ্রথম স্মারকলিপি দিয়েছে- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন করেছে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

কিন্তু গত সরকার এই থানাকে স্থানান্তর করার ষড়যন্ত্র করেছিল। এটা মূলত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের নিরাপত্তাহীনতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতার না থাকার কারণে, যেটা আমরা কোটা আন্দোলনের বুঝতে পেরেছি।শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের ভালোবাসা কতটুকু? তারা পাখির মতো গুলি করে শিক্ষার্থীদেরকে হত্যা করেছে।

ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আহমেদ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ হাজার মানুষের বসবাস এখানে কিন্তু তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা না করেই, ইবি থানাকে ঝাউদিয়াতে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উক্ত এলাকাবাসীর যদি থানার প্রয়োজন হয়, তবে তাদের জন্য আরেকটি নতুন থানা অথবা প্রয়োজনে ক্যান্টনমেন্ট স্থাপন করা হোক। ইবি থানা, ইবিতেই থাকবে।

প্রিন্ট করুন