Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫ , ৬:০৫ অপরাহ্ণ

বিআরআইসিএম এ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

ঢাকা কলেজ প্রতিনিধি  : হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশ রেফারেন্স ইন্সটিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস – বিআরআইসিএম এ নিয়োগ পাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবী জায়িয়েছে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্র জনতা।

গত বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাদ আলী কে একটি স্বারকলিপি প্রদান করেছে তারা।
সম্প্রতি এই প্রতিষ্ঠানটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এফএইচ হল শাখার সাবেক সহসভাপতি মশিউর রহমানকে ছাত্র – জনতা ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ছাত্র – জনতার দাবি, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োজিত ছাত্রলীগের সাবেক অন্যান্য নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেওয়ার সবধরণের তথ্য প্রমাণ রয়েছে।
তারা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, বিগত জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আমরা সাইন্সল্যাব, শাহবাগ, নিউমার্কেট, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিজেদের জীবন বাজী রেখে ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনার পতনে সর্বাত্মক ভূমিকা রেখেছি। এই আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের অনেক সহযোদ্ধা জীবন হারিয়েছে। আহত হয়ে অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঐসময় আমাদের উপর যে সকল ফ্যাসিবাদের দোসররা সরাসরি হামলায় অংশ নিয়েছে তারা এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দেশদ্রোহী বিভিন্ন কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম একজন সন্ত্রাসী, জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান ও বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএইচ হল ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মশিউর রহমান। যাকে গত ২২ জানুয়ারি সাইন্সল্যাব এলাকা থেকে সাধারণ ছাত্র জনতা ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বর্তমানে এই সন্ত্রাসী একাধিক মামলায় পুলিশের রিমান্ডে রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের পর থেকেই তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা উক্ত এলাকার আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্র জনতাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি জীবননাশেরও থ্রেট দিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই বিআরআইসিএম নামের প্রতিষ্ঠানে খুনি হাসিনার শাসন আমলে অবৈধ নিয়োগের মাধ্যমে পেয়েছে।
এদের মধ্যে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রেদোয়ানুল ইসলাম, মোঃ আবু হাসান, মোঃ মনিরুজ্জামান, ওমর বিন হামজা, মিজানুর রহমান, নয়ন কুমার কুন্ডু, মইনুল হুদা, জাবেদ বিন আহমেদ, মেহেদি হাসান টুটুল, মোক্তার হোসেন, তুষার কুমার, শাকিল সফিউল্লাহ, আসাদুজ্জামান তুষার ও মেহেক আহমেদ অন্যতম। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করতে হবে বলে ডিএমপি কমিশনারের কাছে দাবি জানান জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্র-জনতা। বর্তমানে এসব সন্ত্রাসী সরকারি এই প্রতিষ্ঠানের মুল গেটে তালা দিয়ে জোরপূর্বক সকল কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে বলেও অভিযোগ তাদের।
প্রিন্ট করুন