Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫ , ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ

৫ ফেব্রুয়ারি— ফুটবলের এক বিশেষ দিন

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবলের ক্যালেন্ডারে ৫ ফেব্রুয়ারির মতো গুরুত্বপূর্ণ দিন খুব কমই আছে। ফুটবলার থেকে কোচ— ফুটবলের একাধিক বৈশ্বিক তারকার জন্মদিন আজকের এই দিনে। এই দিনে জন্ম নিয়েছেন এমন কিছু কিংবদন্তি, যারা তাদের দক্ষতা, প্রতিভা এবং অর্জন দিয়ে ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের নাম চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন।

ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার, কার্লোস তেভেজ, সেজার মালদিনি, গিওর্গি হ্যাজি, সভেন-গোরান এরিকসন এবং অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াসের মতো তারকারা এই দিনেই পৃথিবীতে এসেছিলেন। তারা আজ পালন করছেন আরও একটি বর্ষপূর্তি।

আজকের দিনে জন্ম নেওয়া সবচেয়ে বড় নামটা ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর। তিনি এখন ৪০ বছরে পা দিয়েছেন, আজও ফুটবল জগতের অন্যতম সেরা তারকা। সৌদি প্রো লিগে তিনি এখনও গোলের পর গোল করে চলেছেন। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী এই খেলোয়াড় তার ক্যারিয়ারে ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। সর্বকালের সেরাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় চলে আসে তার নাম। তবে তার ভাবনায় তিনিই সর্বকালের সেরা– এমন এক মন্তব্য করে এই দু’দিন আগে আবারও আলোচনায় চলে এসেছেন তিনি।

আজ নেইমারেরও জন্মদিন। তিনি এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন, ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মাঠ মাতানোর পর এখন ব্রাজিলে ফিরে গেছেন। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে আবারও খেলছেন তিনি। বার্সেলোনা এবং পিএসজির হয়ে তার অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মনে আজও গেঁথে আছে।

কার্লোস তেভেজের গল্পও কি কম চমকপ্রদ? ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি এবং জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাবগুলোর হয়ে তিনি তার প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে এখন তিনি কোচিংয়ে মনোযোগ দিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলছেন এখন।

সেজার মালদিনি, ইতালীয় ফুটবলের এক কিংবদন্তি, এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এসি মিলানের হয়ে তিনি ইউরোপীয় কাপসহ বহু শিরোপা জিতেছেন। তার ছেলে পাওলো মালদিনিও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইতালীয় ফুটবলে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন আলাদা করে।

রোমানিয়ান ফুটবলের উজ্জ্বল নক্ষত্র গিওর্গি হ্যাজিও ৫ ফেব্রুয়ারিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তিনি ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে খেলেছেন। রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনার মতো ক্লাবে তার পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মনে আজও জ্বলজ্বল করে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রোমানিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তার অবদান স্মরণীয়।

খেলোয়াড়ি জীবনে তার খ্যাতি ছিল দূরপাল্লার শটের জন্য। এতটাই যে, তাকে নিয়ে মিথও জন্মে গিয়েছিল ‘তিনি ডিফেন্ডার হলেই বুঝি বেশি গোল পেতেন, গোলরক্ষকের কাছ থেকে বল পেলেই শুট আর গোল’! ফুটবলের পাট চুকেবুকে গেছে বহু আগে। এখন তিনি কোচ হিসেবে ফুটবল জগতে অবদান রাখছেন।

সুইডিশ কোচ সভেন-গোরান এরিকসনও এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ট্যাকটিশিয়ান হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন দেশে ক্লাব এবং জাতীয় দলের কোচিং করে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ কৌশলী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

প্রিন্ট করুন