মেডিকেল চান্স পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মিমির পাশে 'তারেক রহমান' | Daily AjKaler Kontho

মেডিকেল চান্স পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মিমির পাশে ‘তারেক রহমান’


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৫, ৫:০৯ অপরাহ্ন
মেডিকেল চান্স পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মিমির পাশে ‘তারেক রহমান’

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি:নড়াইলের লোহাগড়ায় দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী ‘মিমি আক্তার’ কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মেডিকেলের প্রথম বর্ষের বই, এপ্রোন, স্টেথোস্কোপ এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সোহেল রানা, ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রদলনেতা ডা: আব্দুল্লাহ আর রায়হান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা শেখ রমজান আলি রকি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোশাররফ হোসেন মোল্যা, নড়াইল জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. টিপু সুলতান, লোহাগড়া উপজেলা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা লাক্সমি, যুবদল নেতা নজরুল ফকির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: তাইবুল হাসান, লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো: মাহবুবুর রহমান রাজ, সদস্য সাজ্জাদ শিকদার, হিরন মৃধা, ছাত্রনেতা সুজাত সরদার, উজ্জ্বল, লিমন, নাজমুস সাকিব, শান্ত, আজিজ, আনিচুর, মাহমুদ,আলী হাসান প্রমুখ।

মো: সোহেল রানার উৎসাহে নড়াইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার তাইবুল হাসানের তত্ত্বাবধানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুজ্জামান কচির সহায়তায় আরো কিছু নগদ অর্থ দিয়ে মিমির পাশে দাঁড়ান।

একই সময়ে মেধাবী শিক্ষার্থী মিমি আক্তারকে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে লোহাগড়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা লাক্সমি নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন।

লোহাগড়ার এই কৃতি সন্তান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলনেতা মো: সোহেল রানা বলেন – ‘জনাব তারেক রহমানের প্রেরণা ও নির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে মেধাভিত্তিক একটি জাতি বিনির্মানে বদ্ধপরিকর’।

মিমির সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নবগঙ্গা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন মোল্লা বলেন, ‘মিমি আমার কলেজের শিক্ষার্থী ছিল। তার এই সাফল্যে আমি গর্বিত। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি এবং তার পাশে যারা দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় মিমি আক্তার বলেন, ‘আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে, যারা আমার জন্য আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, আমি কখনোই তাদের অবদান ভুলবো না। আমার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবো। এই সহযোগিতা আমাকে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে দিলো’।

উল্লেখ্য, লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকার দিনমজুর আফসার উদ্দিন সরদার মেয়ে মিমি আক্তার ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও সাংসারিক অসচ্ছলতার কারণে তার মেডিক্যালে ভর্তিতে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয় এবং এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে সমাজের বিভিন্ন বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, প্রবাসী ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মেধাবী শিক্ষার্থী মিমি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।