Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ৯:৩৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জানুয়ারি ১, ২০২৫ , ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

মুক্তি পাচ্ছেন তিউনিসিয়ার আল-ইয়াজিদি

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গুয়ানতানামো বে কারাগারে বন্দি থাকা রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদিকে নিজ দেশ তিউনিসিয়ান প্রত্যাবাসন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আল-ইয়াজিদিকে ২০০২ সাল থেকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ২২ বছর ধরে এই কুখ্যাত কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।

সোমবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ বলেছে, ৫৯ বছর বয়সি আল-ইয়াজিদি অবশেষে স্থানান্তরের জন্য যোগ্য।গত মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গুয়ানতানামো বে কারাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়। একাধিক দেশের কয়েক ডজন সন্দেহভাজনকে সেখানে পাঠানো হয়। বন্দিদের অপদস্থ ও নির্যাতন করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এই কারাগারের কুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অনুসারে, ২০০১ সালের ডিসেম্বরে আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি সেনারা আল-কায়েদা যোদ্ধা সন্দেহে আল-ইয়াজিদি আটক করে।হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৭ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং আবার ২০১০ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে স্থানান্তরের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিলেন।

নাইন–ইলেভেনের হামলার পরবর্তী সময়ে কথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য ২০০২ সালের জানুয়ারিতে গুয়ানতানামো বে কারাগার চালু হয়েছিল। কারাগারটি দক্ষিণ কিউবার মার্কিন সেনাঘাঁটিতে অবস্থিত। এ কারাগারের জন্য সামরিক কমিশন–নিয়ন্ত্রিত বিশেষ আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। সেটা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত আদালতে প্রচলিত অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেয় না।

গুয়ানতানামো বে কারাগারে প্রায় ৮০০ বন্দী ছিলেন, যাঁদের অনেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে সিআইএর ‘কালো আখড়া’ বা ব্ল্যাক সাইট নামে পরিচিত গুপ্ত নিবাসস্থলগুলোয় আটক থেকেছেন।এ কারাগারে বর্ধিত জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রমের আওতায় বন্দীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চলত। কার্যক্রমটির অনুমতি দিয়েছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন।

প্রিন্ট করুন