আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : কুষ্টিয়ায় বিএনপি কর্মী হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাতকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা খাতুন।
এর আগে বুধবার বিকালে তানভীরকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। তিনি উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার খালিশপুর উপজেলায়। গতকাল ভোরে তাকে কুষ্টিয়ায় নিয়ে আসা হয়। ২০১৯ সালে বিএনপি কর্মী সুজন মালিথাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তানভীরের বিরুদ্ধে।
সুজন মালিথা সদর উপজেলার টাকিমারা গ্রামের ইসমাইল মালিথার ছেলে। গত ২০ সেপ্টেম্বর শহরের মিললাইন এলাকার লালন শাহ সড়কের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুজন হোসেন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শিহাবুর রহমান জানান, সুজন মালিথাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, দৌলতপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান টোকন চৌধুরী, কুষ্টিয়া নাগরিক পরিষদের সভাপতি সাইফুদ্দৌলা তরুণ। মাহবুব-উল আলম হানিফ ও আতাউর রহমান আতাসহ সব আসামিই পলাতক রয়েছেন। শুধু আব্দুর রউফ কারাগারে।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার পর সুজন মালিথাকে নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যান আসামিরা। রাত দেড়টার দিকে শহরের মডেল থানার মোল্লাতেঘরিয়া পূর্ব ক্যানেলের পাড়ে তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়।