বায়েজিদ আহমেদ জোনায়েত : জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাকা কলেজর অবদানে আলোচনা সৃতিচারণ সভার আয়োজন করে ঢাকা কলেজ বৈষম্যবিরোদী ছাত্র আন্দোলন।
আজ ১১ই ডিসেম্বর, সকাল ১১:৩০ মিনিট ঢাকা কলেজ অডিটোরিয়ামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ঢাকা কলেজ শাখা এই স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই বিপ্লবে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের অবদান ছিল অনিবার্য। ভাষা আন্দোলন থেকে ৭১ সব শেষ ২৪ এর আন্দোলন ছিলো ঢাকা কলেজের ছাত্রদের স্বতন্ত্র ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনের ।
অন্যায়, অবিচার, স্বৈরাচার এর বিরুদ্ধে ঢাকা কলেজ ছিলো সর্বদা সোচ্চার নেতৃত্ব। মেধা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব গুনে নৈপুণ্য পরিচয় ঢাকা কলেজ দিয়েছে বারবার। সাম্য, মানবাধিকার, দুর্নীতি বিরুদ্ধে সোচ্চার বলিষ্ঠ কন্ঠ ঢাকা কলেজ শিক্ষক – শিক্ষার্থীদের। ৫ অগাস্ট স্বৈরাচার পতন পূর্ববর্তীকালীন দেশ ও জাতি জন্য সকল বিপ্লব ও তাদেরর অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনের ছিল অতুলনীয়।
এই স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন নাজমুল হাসান,নুসরাত তাবাসসুম, তারিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাকিব,খান তালাত মাহমুদ রাফি হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন মুঈনুল ইসলাম সদস্য ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় সংসদ।
প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন,৫২ ভাষা আন্দোলন, ৬৯ গনঅভ্যুত্থানে, ৭০ এর আন্দোলন ৭১ এর মহান স্বাধীনতা সবশেষ ২৪ গনঅভ্যুত্থানে সব ধরনের সংকট মুহূর্তে ঢাকা কলেজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তিনি আরো বলেন,কলেজের আহত শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং আহতদের স্মরণে তাদের স্মৃতিচারণ দিয়ে একটি গ্যালারি তৈরি করার জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এবং এই স্মৃতিচারণাকে স্মরণ রাখার জন্য একটি পুস্তিকা প্রকাশ করার কথা বলেন।
স্মৃতিরচারনে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সদস্য সচিব আরিফ সোহেল ঢাকা কলেজ সম্পর্কে বলেন,ঢাকা কলেজে ঔপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্তু দীর্ঘদিন স্বৈরাচার ফ্যাসিস সরকার তাদেরকে লাটিয়াল বা হেলমেট বাহিনী হিসাবে ব্যাবহার করেছে। এখন সময় হয়েছে ঢাকা কলেজকে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা। এর মাধ্যেমে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী সারা বাংলাদেশ বিচারন করবে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে।