Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ডিসেম্বর ৩, ২০২৪ , ১২:০২ অপরাহ্ণ

ভারতীয় আ’গ্রা’স’ন ও উ’গ্র’বা’দী আচরণের প্রতিবাদে মধ্যে রাতে উত্তাল ঢাকা কলেজ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

বায়েজিদ আহমেদ জোনায়েত : ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের উপ – হাইকমিশনে হামলা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বক্তব্যর প্রতিবাদে মিছিল করে ঢাকা কলেজর শিক্ষার্থীরা। এ সময় স্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে মিছিল বের করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মূল ফটোকে গিয়ে শেষ করে।

এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।ভারতীয় আগ্রাসন ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও পেতে চাইলে মুক্তি,ছাড় ভারত ভক্তি আবরারের রক্ত বৃথা যেতে দিব না সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ শেষ হয়নি যুদ্ধ” ভারতের অগ্রাসন মানি না মানবো না” আগরতলায় হামলা কেন, জবাব চাই জবাব চাই।” “ভারতীয় আধিপত্য নিপাত যাক”।
“বাংলাদেশ মুক্তি পাক” “আমার পতাকায় হামলা কেন খুনি মোদি জবাব দে” “আমার সোনার বাংলায় ” “ভারতীয় অগ্রসনের ঠাই নাই”।

শিক্ষার্থীরা এ সময় বলেন,ভারত বাংলাদেশের হাইকমিশনে এবং আমাদের জাতীয় পতাকায় হামলা করে প্রমাণ করলো তাদের উগ্রবাদিতা।একটা স্বাধীন দেশের পতাকা অবমাননা একটি রাষ্ট্রদ্রোহী ও আন্তজার্তিক অপরাধ শামিল এটা জন্য ভারতকে অবশ্যই জবাব দায়ি করতে হবে। ভারত সরকার কূটনৈতিক সুরক্ষা দিতে চরম ব্যর্থ হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশ নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্যর তীব্র সমালোচনা করে বলেন নিজের চড়কায় তেল দিন আপনাকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরী বিষয় ভাবার দরকার নেই বলে আলটিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন ভারতের নেয়া প্রতিটা পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক নির্ধারণ করবে।
ভারতীয় মিডিয়া অপপ্রচার অনেক চেষ্টা করতেছে বিশ্বকে ভুল বুঝানোর কিন্তু পারতেছে না।

তাই ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরী বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া না করার জন্য অনুরোধ করে।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতার রক্ষায় আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত।‘সার্বভৌমত্ব এবং মাতৃভূমি’র প্রশ্নে এক বিন্দু ছাড় হবে না !

“মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু!” এ সময় বৈষম্যবিরুধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আফজাল হোসেন রাকিব দৈনিক আজকালের কন্ঠকে বলেন, আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে উগ্র হিন্দুত্ববাদরা হামলা করেছে। এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে।

সামনের নির্বাচনে মোদীর ভোটব্যাংক নাই বললে চলে।এজন্য নির্বাচন জিতার জন্য, সে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে জনগণকে উত্তেজিত করে,তাদের সিমপ্যাথি অর্জন করতে চাচ্ছে। এইজন্য তার মোদীর মিডিয়া, সারাদিন বাংলাদেশ নিয়ে ভুয়া নিউজ করে।উগ্রপন্থী হিন্দুদের বুঝানোর চেষ্টা করতেছে,হিন্দুদের রক্ষার কান্ডারী সে।আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরী করেছি অন্য দেশের দালালী করার জন্য না।

প্রিন্ট করুন