Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ২৫, ২০২৪ , ১০:১৩ অপরাহ্ণ

টেকনাফে অপহরণ বাণিজ্য বন্ধের প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

ফারুকুর রাহমান, টেকনাফ প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি এলাকা অপহরণ মুক্তিপণ বাণিজ্যের বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে পাহাড়ি গ্রামের বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। তাঁরা সবুজ পাহাড়ে অপহরণ থেকে রক্ষাসহ অপহরণের পর তিনজনকে হত্যা ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি মসজিদের ইমামসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তির দাবি তোলেন।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিব ছড়া এলাকায় সাধারণ নাগরিক সমাজের উদ্যোগে উক্ত মানববন্ধন পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ, ইউপি সদস্য মো. রসিদ মিয়া, শাহ্ আলম, মো. জহির আহমদ ও সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সাইফী, শিক্ষক হাবির ছড়া দারুল হেদায়ার প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ হাসান ও সুপার হাফেজ সাইফুল্লাহ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য রসিদ আলম, ইউপি সদস্য নজির আহমদ, মহিলা ইউপি সদস্য রানু আক্তার, মহিলা ইউপি সদস্য লাইলা আক্তার প্রমুখ

বক্তৃতায় সাইফুল ইসলাম সাইফী বলেন, ‘গত বছর মে শেষের দিকে কক্সবাজারের তিন যুবককে ভ্রমণের কথা বলে ডেকে এনে মুক্তিপণের দাবি টাকা না পেয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এখানকার সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে অপরাধীদের ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়ে নজির সৃষ্টি করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় পরে এসে এসব সহতায়কারী লোকজনকে একই মামলায় অপরাধী করে। আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষ মামলা থেকে বাদ দিতে সরকারের আছে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘টেকনাফের পাহাড় কেন সন্ত্রাস মুক্ত হবেনা । পাহাড় কেন রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসীরা অপহরণ বাণিজ্যে করে ব্যবসা করবে? রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের জন্য পাহাড়ি এলাকায় হাজারো সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারে না। কিন্তু পাহাড়ি ডাকাত-সন্ত্রাসীদের নিধন না করে, অপহরণ বাণিজ্য বন্ধ না হলে কীভাবে বন্ধ হবে অপহরণ। তাই আমরা বর্তমান সরকারকে অনুরোধ জানায় পাহাড়কে রক্ষ করুন। পাহাড় রক্ষা এখানকার সাধারণ মানুষ রক্ষা পাবে। আমাদের বিশ্বাস সরকার আন্তরিক হলে এই অপহরণ বন্ধ হবেই।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ বলেন, ‘তিনজনকে অপহরণের পর তিনজনকে হত্যার ঘটনায় সেসময় আমরা সকল আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে এলাকার মেম্বারসহ সাধারণ মানুষ সহায়তায় করেছি। কিন্তু সেসময় ফ্যাসিবাদ সরকার আমাদের সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় আসামি করে। আমরা এসব নিরীহ মানুষকে মুক্তি দেওয়া জন্য আমরা এখানে সবাই জড়ো হয়েছি। সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি মেম্বার-মসজিদের ইমামসহ নিরপরাধ সকল ব্যক্তিদের মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’

এদিকে, গত ২৮ এপ্রিল টেকনাফের রাজারছড়া এলাকার কোহিনুর নামের এক তরুণী নিহত তিন যুবককে কক্সবাজার থেকে নিজের বাড়িতে ডেকে আনেন। এরপর তিনজনকে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে গত ১০ মে টেকনাফের একটি পাহাড় থেকে ৩ জনের লাশ উদ্ধার করে।

প্রিন্ট করুন