Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:০৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ৯, ২০২৪ , ৩:১১ অপরাহ্ণ

শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ বঞ্চিত না করার লক্ষে – মতবিনিময় সভা

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

শাহজালাল (রাসেল) : বুধবার (৯ অক্টোবর ২০২৪ ইং) জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলা আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ সরকারি কলেজ পরিষদ – বাসকাশপ/জাকাশপ এর আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সভায় সভাপতিত্ব করবেন কে এম দেলোয়ার হোসেন, সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদ (বাসকাশপ/জাকাশপ), পরিচালনা করেন,মোঃ ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদ (বাসকাশপ/জাকাশপ)।

উক্ত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এবং স্মারকলিপি প্রদানে নেতৃত্ব দেন আনিসুর রহমান (সিনিয়র সহ-সভাপতি), নাসির উদ্দিন (সহ-সভাপতি), জনাব মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন(সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), বিশিষ্ট শিক্ষক নেত্রী বিলকিস জাহান, মোঃ ইসমাইল হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক), খন্দকার আঃ আলিম (সাংগঠনিক সম্পাদক), মানিক মিযা মুন্সি ( যুগ্ম সম্পাদক), মহিউদ্দিন ভূঁইযা ( যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মোহাম্মদ ফজলুল হক (কোষাধ্যক্ষ), মাজহারুল ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক) বাবু শিবু শংকর, শিক্ষক নেতা আব্দুর রশিদ, রুবাইযাত ম্যাডাম, সাদিকুল ইসলাম, মাসুম মজুমদার, গাজী এনামুল হক, রাসেল বিশ্বাস, মোহাম্মদ আলী, শওকতুজ্জামান সহ আরো অনেকে।

বক্তারা বলেন, সরকারি কলেজবিহীন প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ সরকারীকরণ করা হলেও শিক্ষা খাতে তৎকালীন সমযে সীমাহীন দুর্নীতি শিক্ষক স্বার্থ বিরোধী, বৈষম্যমূলক আত্মীকরণ বিধিমালা ২০১৮ এর কালো বিধির কারণে আত্তিকৃত শিক্ষক- কর্মচারীবৃন্দ সরকারি কলেজে চাকরি করেও বিভিন্ন বৈষম্যের শিকার হযে অনেক সরকারি সুবিধা হতে বঞ্চিত। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে সরকারিকৃত কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ। শিক্ষক কর্মচারীদের আত্তীকরণে অতীতের মূলনীতি ও ধারাবাহিকতা অনুসরণ না করে আত্তিকরন বিধিমালা ২০১৮ তে ভিন্ন নিয়ম চালু হযেছে যা বৈষম্যমূলক ও মানবাধিকার পরিপন্থী। এই বিধিতে একটি অদ্ভুত পদসোপান তৈরি করা হযেছে যা সরকারি কলেজে বিদ্যমান নেই এবং এনাম কমিটির সুপারিশ পরিপন্থী। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের কোন পদোন্নতির বিধান রাখা হযনি অপরদিকে সরকারীকৃত কলেজে সপ্তম গ্রেডে কর্মরত প্রভাষক, সপ্তম গ্রেডে কর্মরত লাইব্রেরিযান, নবম গ্রেডে কর্মরত প্রদর্শক ও শরীর চর্চা শিক্ষক, দশম গ্রেডে কর্মরত সহকারী লাইব্রেরিযানদের বেতন অবনমন করে পদের প্রারম্ভিক ধাপে নির্ধারণ করা হযেছে ফলে তাদের সবার বেতন আগের চেযে কমে গিযে এক জগন্যতম নজির সৃষ্টি হযেছে। অপরদিকে অনার্স মাস্টার্স পর্যাযে নিযোগপ্রাপ্ত সেমিনার সহকারি সহাযক কম্পিউটার অপারেটর পদ সমূহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালযের প্যাটার্নভুক্ত থাকা সত্ত্বেও তাদের আত্মীকরণের বিধান রাখা হয়নি, বেসরকারি আমলের চাকরি কাল গণনার বিষয়টি সুকৌশলে এড়িয়ে যাওযা হযেছে। তাই উপরোক্ত বৈষম্য ও সমস্যাসমূহ সমাধানে বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিকট বাংলাদেশ সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদ (বাসকশিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত দাবী সমূহ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।

১. সরকারিকৃত কলেজে আত্তীকৃত শিক্ষকদের জন্য দ্রুত পদসোপান তৈরি সহ পদোপতির নীতিমালা প্রনয়ন করে প্রভাষক হতে সহকারী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক হতে সহযোগী অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যাপক হতে অধ্যাপক পদে এনাম কমিটির সুপারিশ অনুযাযী দ্রুত পদোন্নতি দিযে বদলি ব্যবস্থা চালু করা ও অবিলম্বে বকেয়া বেতন পরিষোধ এবং নিযোগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক কর্মচারীদের অতি দ্রুততম সমযে চাকরি স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

২. টাইম স্কেল প্রাপ্ত/সপ্তম গ্রেডধারী শিক্ষকদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি ও আর্থিক অবনমন রোধ করে বে-সরকারি আমলে বিদ্যমান স্বীয় গ্রেডে, স্বীয় স্কেলের চলমান ধাপে বেতনভাতারি চালু রাখা এবং শতভাগ চাকরিকাল গণনা সহ জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা।

৩. অবিলম্বে নন ক্যাডার রিক্রুটমেন্ট রুলস এন্ড কম্পোজিশন তৈরি করে সে অনুযাযী নন ক্যাডার শূন্য পদের বিপরীতে পিএসসির মাধ্যমে নন ক্যাডার শিক্ষক নিযোগের মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণ করা এবং নন ক্যাডার শূন্য পদে ক্যাডার পদ হতে অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ/সহকারি অধ্যাপক/প্রভাষক সহ কোন পদে প্রেষণে কিংবা ডেপুটেশনে নিযোগ প্রদান না করা।

৪. বেসরকারি আমলে কর্মরত কোন শিক্ষক কর্মচারীকে প্যাটার্ন অথবা অন্য কোন অজুহাতে বঞ্চিত না করা এবং অনার্স/ মাস্টার্স পর্যাযে নিযোগপ্রাপ্ত সেমিনার সহকারি, সহায়ক, কম্পিউটার অপারেটর আত্তীকরন করার ব্যবস্থা করা।

৫. প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণের তারিখ হতে কল্যাণ ট্রাস্টে এমপিও হতে কেটে রাখা অর্থ ফেরত দেওয়া।

প্রিন্ট করুন