শাহজালাল (রাসেল) : মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর ২০২৪ ইং) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, সেগুনবাগিচা ঢাকা, বাংলাদেশ অটোরিক্সা-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এর আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন, সঞ্চালনা করেন মোঃ গোলাম ফারুক। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আব্দুর রহিম বক্স দুদু, প্রধান বক্তা, হুমায়ুন কবির খান, বিশেষ অতিথি, মোস্তফা আলমগীর রতন, সাংবাদিক সদরুল হাসান সহ আরো বক্তব্য রাখবেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয়/আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ।
অটোরিক্সা চালকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণঃ-
২০০২ সালে পরিবেশের কথা বলে দেশ থেকে লক্ষাধিক ২ স্ট্রোক অটোরিক্সা (থ্রি-হুইলার) উচ্ছেদ করে। ২০০২ সালে ঢাকায় লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ। থ্রি-হুইলার ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। এখন ঢাকায় লোকসংখ্যা প্রায় ২ কোটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল করে মাত্র ১৫ হাজার। যার ফলে যাত্রী সাধারণ পর্যাপ্ত সেবা থেকে বঞ্চিত। ক্ষেত্র বিশেষও হয়রানি ও নির্যাতন হচ্ছে। জনসংখ্যার তুলনায় গাড়ীর সংখ্যা অপর্যাপ্ত। গাড়ীর সংখ্যা বাড়লে জনসাধারণ পর্যাপ্ত সেবা পাবে এবং রাষ্ট্রের রাজস্ব আয় বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে এবং বেকারত্ব দূর হবে। উল্লেখ্য, যানজটের অযুহাতে এই জনগুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবাদান খাতটি যেন কোন সংকুচিত না হয়। যানজটের জন্য শুধুমাত্র এই পরিবহনটি দায়ী নয়। এমতাবস্থায় চালকদের নামে ২০০৭ সালে বরাদ্দকৃত ৫ হাজার অটোরিক্সা রেজিষ্ট্রেশন অনতিবিলম্বে চালকদের কাছে হস্তান্তর করার জন্য সরকারের কাছে জোর আহ্বান জানাচ্ছি।
২০১৫ সালে মহাসড়কে দূর্ঘটনার কথা বলে কোন বিকল্প ব্যবস্থা না করে মহাসড়ক থেকে লক্ষ লক্ষ সিএনজি চালিত অটোরিক্সা থ্রি-হুইলার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারী করে। সরকার সকল অংশিজনদের সাথে কোন আলাপ আলোচনা না করেই সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ পাশ করে। শ্রমিকদের পক্ষ থেকে উক্ত আইনের কতিপয় ধারা সংশোধনের জন্য বাংলাদেশ অটোরিক্সা হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত প্রস্তাব পেশ করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার কথা থাকলেও অদ্যবধি আলোচনা করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। আমরা মনে করি শ্রমিকদের জরিমানা ও শান্তি বৃদ্ধি করলেই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হবে না। আমরা সর্বজনীন সড়ক পরিবহন আইন চাই।
পরিবহন চালক মালিকদের আন্দোলনের ফসল হিসেবে বিআরটিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিআরটিএর কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেও কোন সুফল পাওয়া যায়নি। পরিবহন সেক্টরের একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী ফেডারেশনের ২/১ নেতার একচেটিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক বৈধ সংগঠনকে বিভিন্ন কমিটি থেকে বাদ রেখে অনিবন্ধিত ও অনঅনুমোদিত সংগঠন দিয়ে সিন্ডিকেট তৈরী করে এই খাতটি জিম্মি করে রেখেছিল। বর্তমানে শ্রমিকগণ জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়েছে। আমরা শ্রমিক আন্দোলনে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চাকে গুরুত্ব আরোপ করি। আমরা সড়ক শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরাতে বদ্ধ পরিকর। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘আমার গাড়ী আমি চালাবো যাত্রীসেবা নিশ্চিত করব’ এই স্লোগানে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালকদের নামে ৫ হাজার সিএনজি অটোরিক্সা রেজিষ্ট্রেশন বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু অটোরিক্সা মালিক সমিতির প্রতিবন্ধকতার কারণে গাড়ীগুলো এখনো চালকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে সাধারণ জনগণ যাত্রীসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের কাছে চালকদের নামে বরাদ্দকৃত ৫ হাজার গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন অনতিবিলম্বে হস্তান্তর করার জন্য জোর আহ্বান জানানো যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন জনগণের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। কিছু সংখ্যক অসাদু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কারণে পরিবহন শ্রমিকগণ প্রত্যাশিত সেবা পায় না। গাড়ী রিকুজিশনকালীন ডিউটি সময়ে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও খোরাকি সঠিকভাবে দেওয়া হয় না। এই সকল অনিয়ম দূর করা জরুরী। তাই এই বিষয়ে জরুরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় চালকগণ রিকুজিশনের ডিউটি করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
২০০২ সাল থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল শুরু করে। যাত্রী, মালিক, চালকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে উক্ত গাড়ী চলাচলের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ২০০৭ সালে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে যা প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের জন্য মালিক, শ্রমিক, সরকার ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকে গাড়ীর দৈনিক জমা ও হ্যায়ার মিটার ভাড়া নির্ধারণ করে এবং প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। কিন্তু মালিক সমিতি/মালিকগণ অতিমুনাফা লোভের কারণে এমন একটি সুন্দর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়নি। এ সকল বিষয়ে বিআরটিএ ও পুলিশ এর পর্যবেক্ষণ করার কথা থাকলেও তাদের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হয়নি, যার ফলে যাত্রীগণ সেবা থেকে বঞ্চিত। মালিকগণ সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৩৫ ও ৮১ ধারা লংঘন করছে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। চালকগণ ধারা ও বিধি লংঘন করলে পুলিশ অহরহ মামলা করে কোটি কোটি টাকা জরিমানা করেছে। অথচ কোন মালিক বা মালিক সমিতির বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে তেমন কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। পরিবহন চালকদের নিয়োগপত্র আইন ও বিধি থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়ন করেনি। যার ফলে শ্রমিকগণ কল্যাণ তহবিল থেকে সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পরিবহন শ্রমিকরা। শ্রমিকগণ অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করতে যাতে না পারে তার জন্য বিগত সরকার অত্যাবশকী পরিসেবা আইন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল যা অত্যান্ত দুঃখ ও আপত্তি জনক।
ঢাকা-চট্টগ্রাম সিএনজি অটোরিক্সা মালিকগণ চালকদের কাছ থেকে গাড়ীর দৈনিক জমার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও চালকদের কাছ থেকে মামলার নামে পুলিশ জরিমানা আদায়ের সম্ভাব্য বিবরণঃ
১। ঢাকা-চট্টগ্রামে মোট চালকের সংখ্যা প্রায় ৪৫০০০ জন। প্রতি মাসে গড়ে একজন চালক একটি করে মামলার জরিমানা দেয় নিম্নে ২০০০/- টাকা করে জরিমানা।
তাহলে ৪৫০০০ চালক x ২০০০ = ৯,০০,০০,০০০/- (নয় কোটি) টাকা।
তাহলে ১২ মাসে x ৯,০০,০০,০০০/- = ১০৮,০০,০০,০০০/- (একশত আট কোটি) টাকা।
তাহলে ২০ বছরে x১০৮,০০,০০,০০০/- ২১৬০,০০,০০,০০০/- (দুই হাজার একশত ষাট কোটি) টাকা।
২। প্রতিদিন প্রতি গাড়ী থেকে গ্যারেজ ভাড়া, দারোয়ানের বেতন সহ অতিরিক্ত জমা আদায় করেছে ৩০০/- টাকা। ঢাকা-চট্টগ্রাম গাড়ীর সংখ্যা প্রায় ২৭০০০।
১ দিনে গাড়ী থেকে অতিরিক্ত আদায় প্রায় (২৭০০০x৩০০) = ৮১,০০,০০০/- (একাশি লক্ষ) টাকা।
১ মাসে গাড়ী থেকে অতিরিক্ত আদায় ৩০x৮১,০০,০০০/= ২৪,৩০,০০,০০০/- (চব্বিশ কোটি ত্রিশ লক্ষ) টাকা।
১২ মাসে অতিরিক্ত আদায় ১২x২৪,৩০,০০,০০০/- =২৯১,৬০,০০,০০০/- (দুইশত একানব্বই কোটি ষাট লক্ষ) টাকা।
২০ বছরে অতিরিক্ত আদায় ২০x২৯১৬০০০০০০/- = ৫,৮৩২,০০,০০,০০০/- (পাঁচ হাজার আটশত বত্রিশ কোটি) টাকা।
বিগত সরকারের কাছে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবীনামা পেশ করা হয়েছিল। দাবী আদায়ের জন্য অনেক অন্দোলন-সংগ্রাম করা হয়েছে। এই যৌক্তিক দাবীগুলি নিয়ে কোন আলোচনা করেনি। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের নিকটও দাবীগুলো পেশ করা হয়েছে। দাবীগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য একাধিকবার সাক্ষাত চেয়েও সাক্ষাত পাইনি। আমরা কি এখনও বৈষম্যের শিকার হবো? বিষয়টি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে শ্রম আইন ২০০৬ এর অধ্যাবধি সংশেধিত এই আইনের ১৮৩ উপধারা (৪) (৫) ক্ষমতা বলে ৮ জুন ২০০৮, ৫ জানুয়ারী ২০১৭ ব্যক্তি মালিকানাধীন (যাত্রী) সড়ক পরিবহন সার্ভিস বা সেবা ভিত্তিক শিল্প মটরযান সমূহকে পৃথক পৃথক শ্রেণি বা গ্রুপে বিন্নাস করে ট্রেড ইউনিয়ন পুর্ণগঠন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে একাধিক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে। যেমন (১) বাস, মিনিবাস, কোচ (যাত্রীবাহী). (২) ট্রাক, ট্যাংকলরি, মিনিট্যাংক (পন্যবাহী) (৩) অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, মিশুক, ট্যাক্সিকার, ট্যাক্সিক্যাপ, হিউম্যানহলার ধরনের যানবাহন (যাত্রী পরিবহন) আলাদা আলাদাভাবে সংগঠন করার কথা বলা হয়েছে। তাই স্ব স্ব শ্রমিক সংগঠন সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্দিষ্ট শ্রমিক ইউনিয়নগুলো বিধি মোতাবেক নিজ নিজ শ্রেণীভুক্ত ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা বাধ্যতামূলক। এমতাবস্থায় শ্রমিক ইউনিয়নগুলো সংশ্লিষ্ট ট্রেডের ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত হয়ে শ্রমিকদের দাবী আদায়ের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
১০ দফা দাবী সমূহ:-
১। আধুনিক উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতকল্পে চাঁদাবাজি-হয়রানি-বৈষম্যমুক্ত নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা চাই। এ লক্ষ্যে গত ২০০৭ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে শ্রমিক মালিক ও সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চালকদের নামে বরাদ্দকৃত ঢাকায় ৫ হাজার ও চট্টগ্রামে প্রস্তাবিত ৪ হাজার অটোরিক্সা (থ্রি-হুইলার) অবিলম্বে চালকদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
২। ১৯৮০ সালে পাশকৃত চালকদের নিয়োগপত্র আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর দাখিলকৃত ২১টি ধারা সংশোধন করে, সর্বজনীন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪। সড়ক দূর্ঘটনা রোধে সড়ক মহাসড়কে বাইলেন ও ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকল্পে সরকারি ভাবে চালকদেরকে ট্র্যাফিক আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৫। অটোরিক্সা পরিবহন সার্ভিস নীতিমালা ২০০৭ ও প্রজ্ঞাপনের নিয়ম ব্যতিরেখে অটোরিক্সা মালিকগণ অতিরিক্ত দৈনিক জমা (টাকা), গ্যারেজ ভাড়া, দারোয়ানের বেতনের নামে চালকদের কাছ থেকে আদায়কৃত অতিরিক্ত টাকা ফেরতদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ এবং বিআরটিএর সদর কার্যালয় ২১ অক্টোবর ২০১৮ প্রস্তাব অনুযায়ী অটোরিক্স (থ্রি হুলাইর) শ্রমিক প্রতিনিধিদের জেলা আরটিসি কমিটিতে সদস্য অন্তর্ভুক্ত প্রজ্ঞাপন জারী করতে হবে। ফেডারেশনকে সড়ক দূর্ঘটনার ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৭। জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলে অত্র ফেডারেশনকে সদস্য অন্তর্ভুক্তি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে ২৬ এপ্রিল ২০১৮ এবং বিআরটিএর সদর কার্যালয়ের ২৪ মে ২০১৮ প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৮। পরিবহন শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক কল্যাণ তহবিল আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
৯। পুলিশ অহরহ মামলার নামে হয়রানি, বিআরটিএর দুর্নীতিমুক্ত পরিবহন শিল্প চাই। গাড়ী রিকুজিশনের সময় গাড়ীর জ্বালানী ও চালকদের বেতন খোরাকি দিতে হবে।
১০। জেলা ও উপজেলায় চালক ও যাত্রীর সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে অটোরিক্সা পার্কিং স্ট্যান্ড স্থাপন করতে হবে।