ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের আর্যনারায়নপুর গ্রামের আব্দুল খালেক তার আপন ভাই শাহাদাত মোল্লা, সিরাজ মোল্লা, মোস্তফা মোল্লা ও বোন রাবেয়া ও মালেকার নিকট থেকে তার মা দৌলাতুন্নেসার ওয়ারিশ সূত্র এবং গবলার দলিল সূত্রে পাওয়া সমুদয় সম্পত্তি১৯৮৭ সালের দিকে ৮৩৯৯ দলিল নম্বরে কিনে নেন।উক্ত জমি আরাপপুর নিবাসী দৌলতুল নেসা পিতা ইন্তাজ আলী মন্ডল ০৯/০৭/১৯৮৪ সালে ১০৭৯১ নম্বর হেবাবেল ওয়াজ দলিলের মাধ্যমে ছেলে মঞ্জের আলী মন্ডল ও মেয়ে দৌলতুল নেসা কে ১২১ খাজুরা মৌজা ১ একর পৌনে ২৭ শতক ও ১২৩ আরাপপুর মৌজা ১ একর পৌনে ৬১ শতক জমির মধ্য থেকে ৫৬৪৭, ৫৬৮৬, ৫৭১৪, ৫৭১৯, ৫৭২০, ৫৭৩২, ৫৭৩৩ ,৫৭৩১ ,৫৬০৫ দাগ থেকে ২ জনের সমান অংশ ৭৬ শতক জমি লিখে দেন। সেই মোতাবেক দৌলাতুন্নেছা ৩৮ শতক জমি প্রাপ্য হয়। তাছাড়া তার পিতার বাকি সম্পত্তির অংশীদার থাকে দৌলোতুন্নেসা।
তবে আব্দুল খালেক তার ক্রয়ের জমি থেকে ৩৯ শতক জমি বিক্রয় করলেও তার মাথার বাকি জমি সে দখল নিতে ৪০ বছর ধরে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই মর্মে পৌরসভার চেয়ারম্যান এর কাছে কয়েকবার সালিশ দরবার করেও জমি দখল নিতে পারেনি। এমনকি তিনি থানাতে অভিযোগ করেও তার কোন প্রতিকার পায়নি। বর্তমানে আব্দুল খালেকের দাবি কৃত জমিতে ২০ টা মেহগনি, ১০টা সুপারি, ১লিচু গাছ ২ আম গাছ ১নারিকেল ১ কাঁঠাল ১ নিম গাছ সহ ৩৯টা গাছ রয়েছে বলে জানা গেছে।
আব্দুল খালেক আরো অভিযোগ করেন যে তার মায়ের নামে বর্তমানে ১৯ শতক জমি রেকর্ড হয়েছে। সেই রেকর্ড সংশোধনের জন্য তার মামাতো ভাইয়েরা ২৬/০২-২০২৩ তারিখে ঝিনাইদহ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে ১টি মামলা দায়ের করেন যে মামলা ল্যান্ড সার্ভেটাইবুনাল ২৮-৫-২০২৪ তারিখে খারিজ করে দেয়। খারিজে বলা হয় যে বাদী পক্ষ উপযুক্ত কাগজপত্র দাখিল করতে না পারার কারণে মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়। তারপরও আব্দুল খালেক ওই জমি দখলে যেতে পারিনি এবং তার মামাতো ভাইয়েরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।
মামলার বাদী মোদাচ্ছের হোসাইন ও নজির উদ্দিন এর সাথে কথা বললে তারা জানায় যে আব্দুল খালেক ৩৮ শতক জমির স্থলে ৩৯ শতক জমি বিক্রয় করেছে। তাহা ছাড়া আমার ফুফু দোলাতুন্নেছা বেঁচে থাকতে আরো জমি বিক্রয় করেছে। এই মর্মে অনেক সালিশ দরবার হয়েছে কিন্তু আব্দুল খালেক সেটা মেনে নেইনি। সে ছাড়বে অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় টাকা পয়সা দিয়ে আইন তার পক্ষে নিয়েছে। আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি যার শুনানি হবে আগামী ৩রা নভেম্বর। যেহেতু এই মামলাটি আদালতে আপিল করা হয়েছে সেতু এই ক্ষেত্রে আমরা আর কথা বলতে চাই না বিষয়টা আদালতেই ফয়সালা হবে।