ওয়াহিদুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলাধীন জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর গ্রামে গরুকে গোসল করাতে গিয়ে পানির স্রোতে ভেসে নিখোঁজের একদিন পর নদীর তলদেশ থেকে পানির উপরে ভেসে উঠলো রাজন মিয়া(২২)নামক এক যুবকের লাশ।
সে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর(আহমাদাবাদ)গ্রামের আফরোজ মিয়ার পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয়দের মারফতে জানাযায়, ৭(সেপ্টেম্বর)শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ-কুবাজপুর সড়কের শংকরখালী(গপাইখালী)ভাঙা নামক নদীতে গরুকে গোসল করাতে পানিতে নামেন রাজন মিয়া(২২)।
এক সময় বে-খেয়ালি হয়ে বেশী পানিতে চলে গেলে প্রচন্ড নদীর স্লোতে ভেসে যায় সে। সুর-চিৎকার দিয়ে ডুবে যেতে থাকলে এ-সময় তার সঙ্গে থাকা খলিল মিয়া নৌকা দিয়ে রাজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করে।কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই সে পানির নিচে তলিয়ে যায়।তখন খলিল মিয়া জ্ঞান হারিয়ে পেলেন।পরে খলিলকে উপজেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিলাদ আহমদ বলেন,রাজন মিয়া পানিতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও সুনামগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলসহ ঘটনাস্থলে এসে বেলা ২ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বহু চেষ্টা করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অবশেষে ৮(সেপ্টেম্বর)রোববার বিকালের দিকে হঠাৎ নদীর তলদেশ থেকে রাজনের মরদেহ পানির উপরে ভেসে উঠে।
জগন্নাথপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আজিজুর রহমান জানান,কুবাজপুর গ্রামের একটি যুবক নিখোঁজের ঘটনায় শনিবার আমাদের পুলিশ সহ ডুবুরি দল বহু চেষ্টা করে নিখোঁজ যুবককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।একদিন পর রোববার বিকালে যুবকের লাশ নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয়।