ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : প্রাচীন কালের ঝিনুকদাহ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের তোরণ হিসেবে পরিচিত ঝিনাইদহ।বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান,মরমী কবি পাগলা কানাই,গনিত বিশারদ কেপি বসু,বিপ্লবী বাঘা যতীন এবং কবি গোলাম মোস্তফা এর স্মৃতিবিজড়িত ঝিনাদহ শহর।এই শহরটি গড়ে উঠেছে নবগঙ্গা নদীর তীরে। প্রাই তিন লক্ষ মানুষ এই শহরে বসবাস করে।কিন্তু নগর জীবনের যান্ত্রিকতার করাঘাত থেকে পরিত্রানের জন্য তেমন কোন প্রাকৃতিক বিনোদন ধর্মী পার্ক গড়ে ওঠেনি। যদিও ক্যাসেল ব্রিজ হতে শুরু করে ধোপাঘাটা ব্রিজ পর্যন্ত নদীর দু পাশ ধরে প্রাই তিন থেকে চার কিলোমিটার যায়গা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।শুধু দরকার ছিল কতৃপক্ষের একটু দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পরিকল্পনা তাহলে গড়ে ওঠতে পারতো যে কোন ধরনের পার্ক, ওয়াক ওয়ে ইত্যাদি।
কিন্তু পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে শহরের সমস্ত ময়লা আবর্জনা,দুষিত পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে পড়ে দিনে দিনে নদী ভরাট হয়ে তার নব্যতা হারাচ্ছে। সেই সাথে বছরের বেশির ভাগ সময় কচুরিপানা আটকে থাকার কারনে একদিকে নগর যেমন তার শ্রী হারাচ্ছে অপর দিকে মশা মাছির উপদ্রুপে শহরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।এখানে বৃটিশ আমলের নির্মিত ঐতিহ্যবাহি ধোপাঘাটা ব্রিজের পাশে আরেক টি নতুন ব্রিজ নির্মিত হওয়ায় শহরের সৌন্দর্য অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।শহরবাসীর দাবি নিয়মিত কচুরিপানা পরিস্কার করা,এবং নদীর দু পাশ সঠিক সিমানা নির্ধারন করে বিনোদন ধর্মী প্রাকৃতিক পার্ক অথবা ওয়াক ওয়ে গড়ে তোলা।