Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৭:২৩ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ আগস্ট ৩০, ২০২৪ , ৬:১১ অপরাহ্ণ

টেকনাফ পৌরসভার দায়িত্বরত সচিব ও প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

ফারুকুর রাহমান, টেকনাফ : কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার দায়িত্বরত সচিব মহিউদ্দিন ফয়েজি ও প্রধান সহকারী ভারপ্রাপ্ত অ্যাকাউন্টিং মোরশেদুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অভিযোগ এনে, পদ প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে উক্ত সচিবের নেতৃত্বে প্রধান সহকারী ও ভারপ্রাপ্ত একাউন্টিং মোরশেদুল আলম অদৃশ্য ক্ষমতা ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টিং পদ শূন্য থাকা সত্বেও সেটির ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করে বেতন ভাতা সহ নানান রকম সুবিধা ভোগ করছেন ।

এমনকি তাঁরা পৌরসভার বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই প্রজেক্ট সংস্কারের নামে ৮০ হাজার টাকা খরচের পরিবর্তে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিল করে টাকা আত্মসাত করেছেন বলে জানান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অনিয়ম দূর্নীতি লুটপাট নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, উক্ত সচিবের হাত ধরে পৌরসভার যেকোন উন্নয়ন মূলক কাজে ৩ শতাংশ কমিশন খাওয়া, থেকে শুরু করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কর্মচারী নিয়োগ, নাগরিকদের জন্য বরাদ্দকৃত বিভিন্ন এনজিওর অনুদান আত্মসাৎ, ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সহ বিভিন্ন সনদপত্র বাবদ অতিরিক্ত ফি আদায়, থেকে শুরু করে স্থানীয় পৌর নাগরিকদের সাথে খারাপ আচরণ করতেন তাঁরা ।

শিক্ষার্থীরা আরো জানান, এই অভিযোগ গুলোর ভিত্তিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম সহ আমরা সকল শিক্ষার্থীরা তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি ।

অন্য দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু কাউন্সিলর ও ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন, সচিবের নেতৃত্বে প্রধান সহকারী ও ভারপ্রাপ্ত একাউন্টিং মোরশেদুল আলম অদৃশ্য ক্ষমতা ব্যবহার করে অনিয়ম দুর্নীতি লুটপাটের মধ্যে জড়িয়ে থাকার জনশ্রুতি রয়েছে।

এ বিষয়ে::- পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল করিম মানিক থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পদ শূন্য থাকা সত্বেও অ্যাকাউন্টিং পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি মোরশেদুল আলম’কে তবে তিনি ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আরো বলেন, কাউন্সিলরদের জনসাধারণের সেবা থেকে বঞ্চিত রেখে, দায়িত্বরত কর্মকর্তারা নিজেরা অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন সেবা প্রদান করতো যা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। এমনকি আমরা নির্বাচিত কাউন্সিলরগণ তাদের কারণে জনগণকে পর্যাপ্ত সেবা দিতে পারেনি, অনেক সময় সাধারণ জনগণকে রোষানলে পড়তে হয়েছে ।

প্রিন্ট করুন