চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : আবারো ভারি বর্ষণে ডুবলো বন্দর নগরী, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও মঙ্গলবার সকাল থেকে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে নগরীর বেশকিছু এলাকা। অতি বৃষ্টির কারণে কারণে ব্যহত হয় চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য খালাস কার্যক্রম।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ম. ইসমাইল ভূঁইয়া বলেন, মৌসুমী বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ চলছে। চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও এ রকম ভারী বৃষ্টি আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর থেকে বৃষ্টি কমবে। তবে পুরো মাসব্যপী থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এরমধ্যে মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৬০ মিলিমিটার।
একইসাথে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে সমুদ্র বন্দরগুলোকে দেওয়া ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। সকাল থেকে জিইসি মোড়, মুরাদপুর, শুলকবহর, প্রবর্তক মোড়, পাঁচলাইশ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, কাপাসগোলা, শুলকবহর, আগ্রাবাদ, হালিশহ ইত্যাদি এলাকা হাটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তরের কন্টেইনার ইয়ার্ড গুলোও হাটুপানিতে তলিয়ে যায় , এতে করে পন্য খালাস ব্যহত হয়।
চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। গত শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। বিশেষ করে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল বেশি। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিদিন দেশের ৫১টি স্টেশনের আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলে ধরে। দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১টি স্টেশনের মধ্যে ৩৮টি স্টেশনেই বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে কুমিল্লায়, ১৭৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া ফেনীতে ১৭৪, কক্সবাজারে ১৬৫, সীতাকুণ্ডে ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।