বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনলাইন টিকিট জালিয়াতির ফাঁদে ডুয়েট শিক্ষার্থী, সাড়ে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র | Daily AjKaler Kontho

বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনলাইন টিকিট জালিয়াতির ফাঁদে ডুয়েট শিক্ষার্থী, সাড়ে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র


বজলুর রহমান প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৯, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনলাইন টিকিট জালিয়াতির ফাঁদে ডুয়েট শিক্ষার্থী, সাড়ে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র

রাজধানীর শাহাবাগ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনলাইনে হাসপাতালের টিকিট কাটার পর প্রতারক চক্রের সুকৌশলী ফাঁদে পড়ে ১১ হাজার ৭২০ টাকা খুইয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) এক শিক্ষার্থী।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোঃ নাইম হাওলাদার গাজীপুর জিএমপির সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।জিডি সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ডুয়েট শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার গত ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বহিঃবিভাগে দেখানোর জন্য অনলাইনে একটি টিকিট কাটেন। টিকিট কাটার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুপুর ৩:২৪ থেকে ৩:৩২ ঘটিকার মধ্যে +8801352-277327 নম্বর থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিক কল আসে। ফোনকারী ব্যক্তি নিজেকে হাসপাতালের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে জানান যে, তার অনলাইনে কাটা শিশুটির টিকিটটি বাতিল হয়ে গেছে এবং সেটি সচল করতে হবে। পরবর্তীতে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন অজুহাত ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীকে তাদের নির্দেশনা মোতাবেক টাকা পাঠাতে বাধ্য করে। নিরুপায় হয়ে ওই শিক্ষার্থী বিকেল ৪:০৯ মিনিটে তার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট অ্যাকাউন্ট থেকে এনপিএসবি (NPSB)-এর মাধ্যমে প্রতারকদের দেওয়া ০১৬১৮-২৬৬৮৮৯ নগদ নম্বরে ফি-সহ সর্বমোট ১১,৭২০.০০ (এগারো হাজার সাতশত বিশ) টাকা পাঠিয়ে দেন (যার ট্রানজেকশন আইডি: 7089954317)। টাকা পাঠানোর পর প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী পুনরায় ওই নম্বরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে প্রতারকেরা তাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়।

এ বিষয়ে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে, যার জিডি নং- ৩৪৬৪ এবং ট্র্যাকিং নং- 9KSDDQ। থানার ডিউটি অফিসার এএসআই শারমীন নেওয়াজ জিডিটি নথিভুক্ত করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাজীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ডায়েরি সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এএসআই (নিরস্ত্র) সাদ্দাম হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।