
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ধানের শীষের প্রচারণায় জোরপূর্বক যুক্ত হয়েছেন সন্ত্রাসের দায়ে বহিষ্কৃত নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের শতাধিক নেতাকর্মী। প্রচারণায় যুক্ত হতে বহিষ্কৃত নেতার অনুসারীরা শাহীদুল ইসলাম চৌধুরীর প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করে বেশ কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনায়। এসময় স্থানীয় সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি লক্ষ করে ককটেল নিক্ষেপ করে ও সাংবাদিকদের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।
বৃহস্পতিবার ( ২৩ অক্টোবর) বিকালে ইছাখালী ইউনিয়নের আবুরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এসময় বহিষ্কৃত নেতার অনুসারীরা শাহীদুল ইসলাম চৌধুরীকে সামনে রেখে ধানের শীষের পক্ষে ও বহিষ্কৃত নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের পক্ষে স্লোগান দেয়। স্লোগান নিয়ে আবুরহাট বাজার প্রদক্ষিণ করে প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সলিমুল্লাহ উকিলের কবর জিয়ারত করে গণসংযোগ জোরপূর্বক সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়নের আবুরহাট বাজার, ঝুলনপুল বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের প্রচারণার আয়োজন করা হয়। কিন্তু আবুরহাট বাজারে পৌছার সাথে সাথে সন্ত্রাসের দায়ে দল থেকে বহিষ্কৃত সন্ত্রাসী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের অনুসারী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মঞ্জুর, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহার চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন, ছাত্রদল নেতা নোমান এর নেতৃত্বে শখানেক সন্ত্রাসী বাধা সৃষ্টি করে ককটেল নিক্ষেপ করে। কিন্তু কৌশলগত অবস্থানের কারনে তারা আক্রমণ করতে ব্যর্থ হয়ে আমার নেতৃত্বে তারাও ধানের শীষের স্লোগানে যুক্ত হতে বাধ্য হয়। আবুরহাট বাজার প্রদক্ষিণ শেষে আমার নেতৃত্বে বিএনপির প্রয়াত নেতা মরহুম সলিমুল্লাহ উল্লাহ উকিলের কবর জিয়ারত সম্পন্ন করে পরবর্তীতে বহিষ্কৃত নেতার অনুসারীদের বিদায় দিয়ে ঝুলনপুল বাজার, টেকেরহাট বাজার, মাদবারহাট ও টেকেরহাট বাজারে গণসংযোগ সম্পন্ন করি।
সাংবাদিকের গাড়ি লক্ষ করে ককটেল নিক্ষেপ ও সাংবাদিক দের মোবাইল কেড়ে নেয়া ও হেনস্থার চেষ্টায় ক্ষমা চান উপস্থিত বহিষ্কৃত নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নেতাকর্মীরা।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :