সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১ । ৫ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মামলা করছেন স্বামী: প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে মিথ্যাচার, ফেসবুকে ভুয়া অপপ্রচার চলছে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নেদারল্যান্ড প্রবাসী শহিদুল ইসলাম টিটু এবং তার স্ত্রী নাসরিন ইসলাম পিংকিংকে নিয়ে কয়েকটি অখ্যাত অনলাইন পত্রিকা এবং ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে‘ বনশ্রীতে পরকীয়া টানে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও’ এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু এই সংবাদটি পুরোপুরি মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন শহিদুল ইসলাম টিটু।

তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত এই সংবাদগুলো আমার পরিবারের দৃষ্টিগোচর হয়। প্রকাশিত নিউজে মিথ্যা, বানোয়াট এবং চরিত্রহননের জন্য উদ্দেশ্যমূলক তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। আমার পরিবার সম্মানিত একটি পরিবার। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে এই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশের জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজে বলা হয়েছে, আমার স্ত্রী নাসরিন ইসলাম পিংকির বয়স ৩৪। প্রকৃতপক্ষে তার বয়স ৩৭। তার সঙ্গে অন্য কোনো পুরুষের পরকীয়ার যে সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার স্ত্রীকে সবচে ভালো করে চিনি এবং জানি। তার এমন কোনো ঘটনা কোনোদিন আমার চোখে পড়েনি।

প্রতিবেদনগুলোতে আমার স্ত্রী নাসরিন পিংকিকে বলা হয়েছে, নিয়মিত নাইটক্লাবে যাওয়া আসা করেন। আসলে এমন কোনো ঘটনার প্রমাণ কেউ দিতেই পারবেন না। আমার স্ত্রী পিংকি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় থেকে শুরু করে তাহাজ্জ্বতের নামাজও আদায় করেন। তিনি অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ একজন নারী। নিউজে ব্যবহৃত ছবিতে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, নেদারল্যান্ডে আমি যে দোকান চালাতাম সেখানকার ছবি। আমি শহিদুল ইসলাম টিটু’ও কোনোদিন মদ্যপান করি নাই। তবে ইউরোপের প্রায় সকল গ্রোসারির দোকানেই মদ বিক্রি করা হয়। এটাকেও অন্যভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করি। আমার স্ত্রী তার বাবার বাসায় এখন অবস্থান করছেন। কারণ ৩১ ডিসেম্বর রাতে আমার স্ত্রীর সঙ্গে একটু কথাকাটি হয় পারিবারিক কারণে। এরপর তিনি অভিমান করে বাপের বাড়িতে চলে যান। এরপর তিনি ৩ জানুয়ারি আমার নেদারল্যান্ডের রাজধানী হেগে অবস্থিত বাড়িতে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। কিন্তু এই মানহানিকর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর আমার স্ত্রী মানসিকভাবে ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছেন। এমনকি এমন মিথ্যাচারের কারণে আত্মহত্যার কথাও বলেছেন। আমি তাকে সাহস দিয়ে পাশে থেকেই বলেছি, আল্লাহ তার বান্দাকে পরীক্ষা করেন। সত্যি টা বের হয়ে আসবেই।

টিটু বলেন, আমি থানায় যে সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম, তার উদ্দেশ্য ছিল যেকোনো দূর্ঘটনা যেন ঘটলে পরবর্তীতে আইনি লড়াই করতে পারি। জিডিতে আমি আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার কোনো অভিযোগই আনি নাই। স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ ছিল না। টিটু আরো বলেন. প্রকাশিত নিউজগুলোতে বলা হয়েছে, ‘আমার স্ত্রী নাসরিনের বাবা আকরাম খান নয়ন আর মা শামীমা বেপারী রত্না। তারা রামপুরা বনশ্রী এলাকায় বসবাস করেন।’ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা আমার শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি মিরপুরে থাকেন।

এসব বিষয়ে যে বা যারা এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য, আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করার কথাও জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম টিটু। আগামী পরশুদিন আদালতে ওইসব অখ্যাত পত্রিকা এবং ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে আমার পরিবারের সম্মান নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »